
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কক্সবাজারে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশু হুজাইফা আফনানের (১১) মৃত্যু হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ২৭ দিন পর আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজালাল ও শিশুটির চাচা শওকত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আজ দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, ‘নিহত শিশুর চাচা শওকত আলী এখন কক্সবাজারে। বিমানে তিনি ঢাকায় পৌঁছে হুজাইফার মরদেহ গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি কক্সবাজারে ফিরে আসবেন। শিশুটির মৃত্যুর খবরে এলাকার সবাই বাক্রুদ্ধ।’
হুজাইফা আফনান হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। এতদিন রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল সে।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা), আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) ও নবী হোসেন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয়। অন্যদিকে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীও আরাকান আর্মির অবস্থানে বিমান হামলা ও বোমা হামলা চালায়। ওই দিন সকালে রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় শিশু হুজাইফা।
হুজাইফার আরেক চাচা মোহাম্মদ এরশাদ তখন জানান, ১০ জানুয়ারি (শনিবার) সারা রাত সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির শব্দে এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। রোববার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত মনে হওয়ায় তিনি ঘর থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর শিশু হুজাইফাও খেলতে বের হয়ে সড়কের কাছে চলে আসে। এ সময় আবার সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি তার মুখের পাশ দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়।
প্রথমে শিশুটি মারা গেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক অবরোধ করেন। পরে জানা যায়, শিশুটি মারা যায়নি, গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে নেওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ তখন জানান, গুলিটি শিশুটির মস্তিষ্কে প্রবেশ করায় তার অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচার করলেও ঝুঁকির কারণে মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজারে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশু হুজাইফা আফনানের (১১) মৃত্যু হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ২৭ দিন পর আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজালাল ও শিশুটির চাচা শওকত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আজ দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, ‘নিহত শিশুর চাচা শওকত আলী এখন কক্সবাজারে। বিমানে তিনি ঢাকায় পৌঁছে হুজাইফার মরদেহ গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি কক্সবাজারে ফিরে আসবেন। শিশুটির মৃত্যুর খবরে এলাকার সবাই বাক্রুদ্ধ।’
হুজাইফা আফনান হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। এতদিন রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল সে।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা), আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) ও নবী হোসেন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয়। অন্যদিকে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীও আরাকান আর্মির অবস্থানে বিমান হামলা ও বোমা হামলা চালায়। ওই দিন সকালে রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় শিশু হুজাইফা।
হুজাইফার আরেক চাচা মোহাম্মদ এরশাদ তখন জানান, ১০ জানুয়ারি (শনিবার) সারা রাত সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির শব্দে এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। রোববার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত মনে হওয়ায় তিনি ঘর থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর শিশু হুজাইফাও খেলতে বের হয়ে সড়কের কাছে চলে আসে। এ সময় আবার সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি তার মুখের পাশ দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়।
প্রথমে শিশুটি মারা গেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক অবরোধ করেন। পরে জানা যায়, শিশুটি মারা যায়নি, গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে নেওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ তখন জানান, গুলিটি শিশুটির মস্তিষ্কে প্রবেশ করায় তার অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচার করলেও ঝুঁকির কারণে মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে