
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কটি সম্প্রসারণের কাজ চললেও তা আগাচ্ছে খুবই ধীরগতি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় সড়কটি ১২ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১৮ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। তবে বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সংস্কার কাজ প্রভাবিত হচ্ছে, ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

বর্তমানে সড়কটির প্রশস্তকরণ কাজ শেষের পথে থাকলেও কার্পেটিং কার্যক্রম চলছে ধীরগতিতে। এর মধ্যে পাহাড়ি ঢল ও বর্ষার ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের দুপাশ ভেঙে পড়ছে। ফলে প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
সড়কটি আগেই সরু ও আঁকাবাঁকা হওয়ায় চলাচলে সমস্যা ছিল। গত দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে সড়কের অধিকাংশ জায়গা গভীর খানাখন্দক ও নালায় পরিণত হয়েছে, সংস্কার কাজ চলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বতর্মানে ক্ষতিগ্রস্ত এসব অংশের সংস্কার কাজ চলছে।

এই সড়কটি সাজেক ভ্যালি যাওয়ার প্রধান পথ হওয়ায় পর্যটক ও যানবাহন চলাচলের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত ও মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উন্নত মানের উপকরণ ব্যবহার করে কাজ করা হচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা স্বীকার করেছেন, প্রাকৃতিক কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
স্থানীয়রা আশা করছে, দ্রুত সংস্কার কাজ শেষ করে সড়কটি পুরোপুরি চালু করা হলে যাতায়াতে স্বস্তি ফিরবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।

খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কটি সম্প্রসারণের কাজ চললেও তা আগাচ্ছে খুবই ধীরগতি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় সড়কটি ১২ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১৮ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। তবে বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সংস্কার কাজ প্রভাবিত হচ্ছে, ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

বর্তমানে সড়কটির প্রশস্তকরণ কাজ শেষের পথে থাকলেও কার্পেটিং কার্যক্রম চলছে ধীরগতিতে। এর মধ্যে পাহাড়ি ঢল ও বর্ষার ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের দুপাশ ভেঙে পড়ছে। ফলে প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
সড়কটি আগেই সরু ও আঁকাবাঁকা হওয়ায় চলাচলে সমস্যা ছিল। গত দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে সড়কের অধিকাংশ জায়গা গভীর খানাখন্দক ও নালায় পরিণত হয়েছে, সংস্কার কাজ চলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বতর্মানে ক্ষতিগ্রস্ত এসব অংশের সংস্কার কাজ চলছে।

এই সড়কটি সাজেক ভ্যালি যাওয়ার প্রধান পথ হওয়ায় পর্যটক ও যানবাহন চলাচলের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত ও মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উন্নত মানের উপকরণ ব্যবহার করে কাজ করা হচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা স্বীকার করেছেন, প্রাকৃতিক কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
স্থানীয়রা আশা করছে, দ্রুত সংস্কার কাজ শেষ করে সড়কটি পুরোপুরি চালু করা হলে যাতায়াতে স্বস্তি ফিরবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে