
রাঙ্গামাটি প্রতিনিথি

রাঙ্গামাটিতে একটি যাত্রীবাহী বাস চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে গিয়ে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসাপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে সাপছড়ি ইউনিয়নে দোপ্পায়াছড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসটির চালক পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে।
বাসে থাকা যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটি শেষে প্রায় ৪০ জন পোশাক শ্রমিক একটি বাস রিজার্ভ করে চট্টগ্রামের কর্মস্থলে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সাপছড়ি এলাকার একটি ঢালু সড়কে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং পাশের পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। যাত্রীরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজ করেন বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনায় আহত নয়ন গুহ বলেন, বাসটি রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর থেকে দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ছেড়ে আসে। বাসচালক বেপরোয়াভাব গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সাপছড়ি এলাকায় এলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি বাঁক নেয়, পরে পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে বাসের অনেক যাত্রী আহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম বাস মিনি বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম বলেন, এ দুর্ঘটনায় ২০ জনের মতো আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাকিদের অন্য একটি বাসে চট্টগ্রাম নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন কর্মকর্তা মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা গিয়ে গাড়িটির নিচে পা আটকা পড়া জুয়েল দাশ নামে একজনকে উদ্ধার করি। এ ছাড়া আরও কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. এন্থনী চাকমা বলেন, বাস দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৪ জন হাসপাতালে এসেছেন। তার মধ্যে ৩ জনকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি।
রাঙ্গামাটি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) অনির্বান চৌধুরী বলেন, পাহাড়িকা পরিবহনের একটি আন্তঃজেলা বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ২০ জনের মতো যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রাঙ্গামাটিতে একটি যাত্রীবাহী বাস চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে গিয়ে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসাপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে সাপছড়ি ইউনিয়নে দোপ্পায়াছড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসটির চালক পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে।
বাসে থাকা যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটি শেষে প্রায় ৪০ জন পোশাক শ্রমিক একটি বাস রিজার্ভ করে চট্টগ্রামের কর্মস্থলে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সাপছড়ি এলাকার একটি ঢালু সড়কে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং পাশের পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। যাত্রীরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজ করেন বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনায় আহত নয়ন গুহ বলেন, বাসটি রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর থেকে দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ছেড়ে আসে। বাসচালক বেপরোয়াভাব গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সাপছড়ি এলাকায় এলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি বাঁক নেয়, পরে পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে বাসের অনেক যাত্রী আহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম বাস মিনি বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম বলেন, এ দুর্ঘটনায় ২০ জনের মতো আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাকিদের অন্য একটি বাসে চট্টগ্রাম নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন কর্মকর্তা মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা গিয়ে গাড়িটির নিচে পা আটকা পড়া জুয়েল দাশ নামে একজনকে উদ্ধার করি। এ ছাড়া আরও কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. এন্থনী চাকমা বলেন, বাস দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৪ জন হাসপাতালে এসেছেন। তার মধ্যে ৩ জনকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি।
রাঙ্গামাটি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) অনির্বান চৌধুরী বলেন, পাহাড়িকা পরিবহনের একটি আন্তঃজেলা বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ২০ জনের মতো যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির পর এক গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
নাটোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালের তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৩) ও প্রাঙ্গণ (২৪)। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ দিন আগে
পাবনা সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের পর দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিনজনে। তবে এদের কেউই ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত নন।
২ দিন আগে
গত রোববার (৭ জুন) সকালে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৩) ও প্রাঙ্গণ (২৪)।
২ দিন আগে