
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ছয় দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
রোববার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল ভবনের নিচে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। এর আগে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার সকাল ৮টা থেকে কর্মবিরতিতে যান তারা।
তবে ট্রেইনি চিকিৎসকেরা দায়িত্ব পালন করায় হাসপাতালের জরুরি ও বহির্বিভাগসহ অন্যান্য সেবা এখনো চালু রয়েছে। চমেক হাসপাতালে চিকিৎসকদের পাশাপাশি প্রায় ২৯০ জন ইন্টার্ন ও এক হাজারের মতো ট্রেইনি চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবির মধ্যে রয়েছে— স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের গত ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নতুন নির্দেশনা জারি, স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং সরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো চালু করা।
এ ছাড়া বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি আইন-২০২৫ পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর, ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়দানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার ফি এক হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণের দাবিও রয়েছে।
ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাকিব হোসেন বলেন, ছয় দফা দাবির মধ্যে একটি বিষয়ে কিছুটা আশ্বাস মিললেও বাকি দাবিগুলোর ব্যাপারে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতিতে থাকলেও চমেক হাসপাতালের ট্রেইনি চিকিৎসকেরা দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত নতুন নীতিমালা জারি করলে চিকিৎসকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। পরে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) এক বিজ্ঞপ্তিতে উপজেলায় বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের শর্ত বাতিলের কথা জানায়। পাশাপাশি বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ ভাতার সুযোগও সম্প্রসারণ করা হয়। তবে বাকি দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ায় কর্মবিরতির কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
রাজনীতি/আরআইআর

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ছয় দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
রোববার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল ভবনের নিচে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। এর আগে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার সকাল ৮টা থেকে কর্মবিরতিতে যান তারা।
তবে ট্রেইনি চিকিৎসকেরা দায়িত্ব পালন করায় হাসপাতালের জরুরি ও বহির্বিভাগসহ অন্যান্য সেবা এখনো চালু রয়েছে। চমেক হাসপাতালে চিকিৎসকদের পাশাপাশি প্রায় ২৯০ জন ইন্টার্ন ও এক হাজারের মতো ট্রেইনি চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবির মধ্যে রয়েছে— স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের গত ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নতুন নির্দেশনা জারি, স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং সরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো চালু করা।
এ ছাড়া বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি আইন-২০২৫ পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর, ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়দানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার ফি এক হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণের দাবিও রয়েছে।
ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাকিব হোসেন বলেন, ছয় দফা দাবির মধ্যে একটি বিষয়ে কিছুটা আশ্বাস মিললেও বাকি দাবিগুলোর ব্যাপারে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতিতে থাকলেও চমেক হাসপাতালের ট্রেইনি চিকিৎসকেরা দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত নতুন নীতিমালা জারি করলে চিকিৎসকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। পরে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) এক বিজ্ঞপ্তিতে উপজেলায় বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের শর্ত বাতিলের কথা জানায়। পাশাপাশি বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ ভাতার সুযোগও সম্প্রসারণ করা হয়। তবে বাকি দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ায় কর্মবিরতির কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
রাজনীতি/আরআইআর

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে