
রাজশাহী ব্যুরো

রোগীর স্বজনদের হাতে ধারাবাহিক হয়রানি ও ‘মব সংস্কৃতি’র প্রতিবাদে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) কর্মবিরতি পালন করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় কর্মবিরতির পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন ইন্টার্নরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, গত রোববার ও সোমবার টানা দুই দিনে হাসপাতালের পৃথক দুটি ওয়ার্ডে রোগীর স্বজনদের হাতে অন্তত তিনজন ইন্টার্ন চিকিৎসক হয়রানির শিকার হয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার রাতে হাসপাতালের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসককে হেনস্তা করা হয়। পরদিন সোমবার সন্ধ্যায় ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে একদল লোক শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করে।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ইন্টার্ন প্রতিনিধি ডা. তানভীর আহমেদ তৌকির, ডা. মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ শেখ, ডা. আবিরা সুলতানা, ডা. তানিয়া আক্তার ও ডা. মো. শিবলী। তারা বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে চিকিৎসাসেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালন করলেও কর্মস্থলে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
তবে কর্মবিরতির মধ্যেও হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগের সেবা চালু রাখা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ বেড়েছে। হাসপাতালের দৈনন্দিন সেবার বড় অংশই ইন্টার্নদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসকের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে রোগী সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অন্যান্য চিকিৎসকদের। ভর্তি রোগীদের নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ফলোআপ কার্যক্রমেও ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।
এ অবস্থায় ভোগান্তিতে পড়া রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এক রোগীর স্বজন সোনিয়া আকতার বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি সময় দেন এবং রোগীদের দেখভাল করেন। তাদের অনুপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। দ্রুত সমস্যার সমাধান হওয়া দরকার।
তিনি আরও বলেন, একদিকে চিকিৎসকদের নিরাপত্তাহীনতা, অন্যদিকে রোগীদের সেবা বঞ্চনা—এই দ্বৈত সংকট দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তাই উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

রোগীর স্বজনদের হাতে ধারাবাহিক হয়রানি ও ‘মব সংস্কৃতি’র প্রতিবাদে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) কর্মবিরতি পালন করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় কর্মবিরতির পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন ইন্টার্নরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, গত রোববার ও সোমবার টানা দুই দিনে হাসপাতালের পৃথক দুটি ওয়ার্ডে রোগীর স্বজনদের হাতে অন্তত তিনজন ইন্টার্ন চিকিৎসক হয়রানির শিকার হয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার রাতে হাসপাতালের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসককে হেনস্তা করা হয়। পরদিন সোমবার সন্ধ্যায় ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে একদল লোক শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করে।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ইন্টার্ন প্রতিনিধি ডা. তানভীর আহমেদ তৌকির, ডা. মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ শেখ, ডা. আবিরা সুলতানা, ডা. তানিয়া আক্তার ও ডা. মো. শিবলী। তারা বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে চিকিৎসাসেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালন করলেও কর্মস্থলে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
তবে কর্মবিরতির মধ্যেও হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগের সেবা চালু রাখা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ বেড়েছে। হাসপাতালের দৈনন্দিন সেবার বড় অংশই ইন্টার্নদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসকের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে রোগী সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অন্যান্য চিকিৎসকদের। ভর্তি রোগীদের নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ফলোআপ কার্যক্রমেও ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।
এ অবস্থায় ভোগান্তিতে পড়া রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এক রোগীর স্বজন সোনিয়া আকতার বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি সময় দেন এবং রোগীদের দেখভাল করেন। তাদের অনুপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। দ্রুত সমস্যার সমাধান হওয়া দরকার।
তিনি আরও বলেন, একদিকে চিকিৎসকদের নিরাপত্তাহীনতা, অন্যদিকে রোগীদের সেবা বঞ্চনা—এই দ্বৈত সংকট দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তাই উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

আগামী ৮ জুন ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন। সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা আশা করছেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং সীমান্ত পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।
২১ ঘণ্টা আগে
মোবাইল গেম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি ও মাদক থেকে তরুণদের দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।
২১ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য প্রণীত সরকারি সহায়তার তালিকায় মৃত ব্যক্তি, প্রবাসী এবং কৃষিকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন— এমন ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অনেক কৃষকের নাম তালিকায় না থাকায় ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে হাওরাঞ্চলে।
১ দিন আগে
শনিবার (৬ জুন) ভোরে সীমান্তের মেইন পিলার ১০৪-এর সাব-পিলার ৫ সংলগ্ন তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রামের হাটপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে