
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুই ঘটনায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসিত) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) জেলার রামগড় ও দীঘিনালা উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্র ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের সদস্যদের গোলাগুলি হয়। এতে ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন। তিনি উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা। একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। তাঁর বাড়ি দাতারাম পাড়ায়। ঘটনার পর এলাকা থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে দাবি করেন, প্রেমতলা এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে থাকা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ববিন ত্রিপুরা নিহত হন। এছাড়া মংসানু মারমা নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলে সংগঠনটির সন্দেহ।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল দুর্গম হওয়ায় এখনো মরদেহ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলছে।
অন্যদিকে, দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে নিহত হন ইউপিডিএফের সদস্য সুজন চাকমা (৪৮)। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)-কে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। তবে এ বিষয়ে জেএসএসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিকেলে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউপিডিএফ দাবি করে, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে সাংগঠনিক কাজে এলাকায় অবস্থানরত সুজন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে।
দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার বলেন, মুড়োপাড়ার একটি দোকানে বসে ছিলেন সুজন চাকমা। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা পাঁচজন মুখোশধারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। তার শরীরে তিনটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
রাজনীতি/আরআইআর

খাগড়াছড়িতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুই ঘটনায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসিত) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) জেলার রামগড় ও দীঘিনালা উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্র ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের সদস্যদের গোলাগুলি হয়। এতে ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন। তিনি উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা। একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। তাঁর বাড়ি দাতারাম পাড়ায়। ঘটনার পর এলাকা থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে দাবি করেন, প্রেমতলা এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে থাকা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ববিন ত্রিপুরা নিহত হন। এছাড়া মংসানু মারমা নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলে সংগঠনটির সন্দেহ।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল দুর্গম হওয়ায় এখনো মরদেহ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলছে।
অন্যদিকে, দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে নিহত হন ইউপিডিএফের সদস্য সুজন চাকমা (৪৮)। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)-কে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। তবে এ বিষয়ে জেএসএসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিকেলে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউপিডিএফ দাবি করে, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে সাংগঠনিক কাজে এলাকায় অবস্থানরত সুজন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে।
দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার বলেন, মুড়োপাড়ার একটি দোকানে বসে ছিলেন সুজন চাকমা। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা পাঁচজন মুখোশধারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। তার শরীরে তিনটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
রাজনীতি/আরআইআর

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
২ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
৩ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
৩ দিন আগে