
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা (সদ্য বহিষ্কৃত) জিসান মিয়া (২৮) প্রধানকে চার দিন পর ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ‘সুস্থ’ বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দেয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ দিন বেলা তিনটা পর্যন্ত জিসানকে আদালতে হাজির করেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে কুমিল্লার দাউদকান্দির এক বিধবা তরুণীকে (২৫) ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে করা মামলায় গত শুক্রবার রাতে জিসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু এত দিন তিনি নিজেকে ‘অসুস্থ দেখিয়ে’ পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও আদালতে প্রেরণ করেনি পুলিশ।
জিসান প্রকৃতপক্ষে অসুস্থ কি না, তা জানতে গত রোববার চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার বোর্ডের সদস্যরা জিসানের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ে বসেন। পরে তারা জিসানের শারীরিক অবস্থা ‘ভালো’ বা ‘সুস্থ’ দেখে হাসপাতাল পরিচালকের কাছে প্রতিবেদন দেন। এর ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করে জিসান মিয়া সুস্থ বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। পরে আজ দুপুর ১২টায় তাকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে আছেন। পুলিশ সদস্যরা যেকোনো সময় তাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাবেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীকে বিয়ে এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন জিসান। এরপর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার হয়ে চিকিৎসার জন্য আসেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে থাকা অবস্থার মধ্যেই ওই তরুণীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে কথিত নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশের ভাষ্য, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। জিসান মিয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। তবে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারের পরে সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রশিবির।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, ১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তার চাচাতো ভাই রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। অনুসন্ধানকালে পুলিশ জানতে পারে, কয়েক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা তরুণীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশ বলছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জিসান ওই তরুণীকে ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন এবং একপর্যায়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়। পরে ওই তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে সম্মতি দেন। তবে বিয়ে এড়াতে ১১ জুন রাতেই তিনি নাটক সাজিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। নিখোঁজের অনুসন্ধান চলাকালে গত শুক্রবার রাতে লাকসাম এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা (সদ্য বহিষ্কৃত) জিসান মিয়া (২৮) প্রধানকে চার দিন পর ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ‘সুস্থ’ বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দেয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ দিন বেলা তিনটা পর্যন্ত জিসানকে আদালতে হাজির করেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে কুমিল্লার দাউদকান্দির এক বিধবা তরুণীকে (২৫) ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে করা মামলায় গত শুক্রবার রাতে জিসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু এত দিন তিনি নিজেকে ‘অসুস্থ দেখিয়ে’ পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও আদালতে প্রেরণ করেনি পুলিশ।
জিসান প্রকৃতপক্ষে অসুস্থ কি না, তা জানতে গত রোববার চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার বোর্ডের সদস্যরা জিসানের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ে বসেন। পরে তারা জিসানের শারীরিক অবস্থা ‘ভালো’ বা ‘সুস্থ’ দেখে হাসপাতাল পরিচালকের কাছে প্রতিবেদন দেন। এর ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করে জিসান মিয়া সুস্থ বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। পরে আজ দুপুর ১২টায় তাকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে আছেন। পুলিশ সদস্যরা যেকোনো সময় তাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাবেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীকে বিয়ে এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন জিসান। এরপর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার হয়ে চিকিৎসার জন্য আসেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে থাকা অবস্থার মধ্যেই ওই তরুণীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে কথিত নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশের ভাষ্য, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। জিসান মিয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। তবে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারের পরে সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রশিবির।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, ১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তার চাচাতো ভাই রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। অনুসন্ধানকালে পুলিশ জানতে পারে, কয়েক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা তরুণীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশ বলছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জিসান ওই তরুণীকে ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন এবং একপর্যায়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়। পরে ওই তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে সম্মতি দেন। তবে বিয়ে এড়াতে ১১ জুন রাতেই তিনি নাটক সাজিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। নিখোঁজের অনুসন্ধান চলাকালে গত শুক্রবার রাতে লাকসাম এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে