
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে যুবদল নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ওই ভিডিওতে এক যুবককে উঠানে দাঁড়িয়ে অস্ত্র উঁচিয়ে একটি ঘরের দিকে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। এ সময় পেছন থেকে এক নারী তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে ওই যুবক ঘরের জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে অস্ত্র তাক করতেও দেখা যায়। যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কমরদিয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির দৈর্ঘ্য ১ মিনিট ১০ সেকেন্ড। সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে গুলি ছোড়ার একপর্যায়ে ঘরের জানালার কাচের পাশাপাশি ফুলের টবও ভাঙতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এনজিওর নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেন এলাকার কিছু মানুষ। পরে আবদুস সাত্তার মজুমদারের হস্তক্ষেপে ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুমন তার বড় ভাইয়ের ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।
এ বিষয়ে আবদুস সাত্তার মজুমদার বলেন, আটক এক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে সুমন তার ঘরে গুলি ছুড়েছেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে সুমন মজুমদার পলাতক রয়েছেন। তাই তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে যুবদল নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ওই ভিডিওতে এক যুবককে উঠানে দাঁড়িয়ে অস্ত্র উঁচিয়ে একটি ঘরের দিকে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। এ সময় পেছন থেকে এক নারী তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে ওই যুবক ঘরের জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে অস্ত্র তাক করতেও দেখা যায়। যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কমরদিয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির দৈর্ঘ্য ১ মিনিট ১০ সেকেন্ড। সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে গুলি ছোড়ার একপর্যায়ে ঘরের জানালার কাচের পাশাপাশি ফুলের টবও ভাঙতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এনজিওর নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেন এলাকার কিছু মানুষ। পরে আবদুস সাত্তার মজুমদারের হস্তক্ষেপে ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুমন তার বড় ভাইয়ের ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।
এ বিষয়ে আবদুস সাত্তার মজুমদার বলেন, আটক এক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে সুমন তার ঘরে গুলি ছুড়েছেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে সুমন মজুমদার পলাতক রয়েছেন। তাই তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
২ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
৩ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
৩ দিন আগে