
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

গ্যাসের সংকটে দিনের পর দিন গাড়ি চালাতে পারছেন না। ফিলিং স্টেশনের সামনে রাতভর লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না জ্বালানি। শেষ পর্যন্ত ক্ষোভে সড়কে নেমে এলেন চট্টগ্রাম নগরের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকেরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে নগরের ষোলশহর এলাকায় কয়েক শ চালক সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন। এতে মুরাদপুর থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে তৈরি হয় তীব্র যানজট।
স্থানীয়রা জানান, ষোলশহরের ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে গ্যাস নেওয়ার জন্য রাত থেকেই শত শত অটোরিকশা সারিবদ্ধ হয়ে ছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও গ্যাস না পাওয়ায় চালকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাঁরা সড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
অবরোধে অংশ নেওয়া চালক শাহিন আলম বলেন, ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। কখন সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সেটিও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। ফলে গাড়ি চালাতে না পেরে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
আরেক চালক মো. হারুনের অভিযোগ, গ্যাসের অভাবে দুই দিন ধরে গাড়ি চালাতে পারছেন না। আয় বন্ধ থাকলেও গাড়ির জমা ও সংসারের খরচ ঠিকই দিতে হচ্ছে। এতে পরিবার নিয়ে মানবেতর পরিস্থিতিতে পড়েছেন তিনি।
ফসিল ফিলিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরবরাহ না থাকায় অটোরিকশায় গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তাঁদের করার কিছু নেই।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পাঁচলাইশ থানার ওসি মো. জহেদুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গ্যাসের সংকটে দিনের পর দিন গাড়ি চালাতে পারছেন না। ফিলিং স্টেশনের সামনে রাতভর লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না জ্বালানি। শেষ পর্যন্ত ক্ষোভে সড়কে নেমে এলেন চট্টগ্রাম নগরের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকেরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে নগরের ষোলশহর এলাকায় কয়েক শ চালক সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন। এতে মুরাদপুর থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে তৈরি হয় তীব্র যানজট।
স্থানীয়রা জানান, ষোলশহরের ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে গ্যাস নেওয়ার জন্য রাত থেকেই শত শত অটোরিকশা সারিবদ্ধ হয়ে ছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও গ্যাস না পাওয়ায় চালকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাঁরা সড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
অবরোধে অংশ নেওয়া চালক শাহিন আলম বলেন, ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। কখন সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সেটিও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। ফলে গাড়ি চালাতে না পেরে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
আরেক চালক মো. হারুনের অভিযোগ, গ্যাসের অভাবে দুই দিন ধরে গাড়ি চালাতে পারছেন না। আয় বন্ধ থাকলেও গাড়ির জমা ও সংসারের খরচ ঠিকই দিতে হচ্ছে। এতে পরিবার নিয়ে মানবেতর পরিস্থিতিতে পড়েছেন তিনি।
ফসিল ফিলিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরবরাহ না থাকায় অটোরিকশায় গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তাঁদের করার কিছু নেই।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পাঁচলাইশ থানার ওসি মো. জহেদুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৬ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে