
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক গৃহবধূকে বুকে ছুরি মেরে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ রোববার (২৪ মার্চ) সকাল ৯টায় রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের মাঝিনা এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত ফারজানা ইসলাম মিশু (৩২) গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার দক্ষিণ শাহাবাজ এলাকার আব্দুল মান্নান মাস্টারের মেয়ে।
গ্রেপ্তার অভিযুক্ত স্বামী তারিকুল ইসলাম একই উপজেলার দক্ষিণ ধুমাইটারি মন্ডলপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে।
জানা গেছে, জাহিদুল ইসলাম রূপগঞ্জ উপজেলার মাঝিনা এলাকার মির কংক্রিট প্রোডাক্ট লিমিটেড কারখানায় চাকরি করে আসছিলেন। তারা স্বামী-স্ত্রী মাঝিনা এলাকার নয়ন মিয়ার মালিকানাধীন বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, মাঝিনা এলাকায় নয়ন মিয়ার মালিকানাধীন চারতলা বাড়িতে বুকে ছুরি মেরে ফারজানা ইসলাম মিশু নামের এক গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে বলে সংবাদ পায় পুলিশ। পরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নিহত ওই গৃহবধুর স্বামী তারিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করেছেন তারিকুল ইসলাম।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারিকুল ইসলাম জানায়, ফারজানা ইসলাম মিশুর অন্য এক যুবক পরকীয়া করতেন। আর এই পরকীয়ার জের ধরেই প্রায় সময় তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হতো। অন্য দিনের মতো রোববার সকালেও তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাটি হলে একপর্যায়ে তারিকুল ইসলাম হাতে ছুড়ি নিয়ে ফারজানা ইসলাম মিশুর বুকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই ফারজানা ইসলাম মিতুর মৃত্যু হয়।
ওসি আরো জানান, নিহত ফারজানা ইসলাম মিতুর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসলে হত্যা মামলার করা হবে। মরদেহ নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এযি কর্মর্তা।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক গৃহবধূকে বুকে ছুরি মেরে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ রোববার (২৪ মার্চ) সকাল ৯টায় রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের মাঝিনা এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত ফারজানা ইসলাম মিশু (৩২) গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার দক্ষিণ শাহাবাজ এলাকার আব্দুল মান্নান মাস্টারের মেয়ে।
গ্রেপ্তার অভিযুক্ত স্বামী তারিকুল ইসলাম একই উপজেলার দক্ষিণ ধুমাইটারি মন্ডলপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে।
জানা গেছে, জাহিদুল ইসলাম রূপগঞ্জ উপজেলার মাঝিনা এলাকার মির কংক্রিট প্রোডাক্ট লিমিটেড কারখানায় চাকরি করে আসছিলেন। তারা স্বামী-স্ত্রী মাঝিনা এলাকার নয়ন মিয়ার মালিকানাধীন বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, মাঝিনা এলাকায় নয়ন মিয়ার মালিকানাধীন চারতলা বাড়িতে বুকে ছুরি মেরে ফারজানা ইসলাম মিশু নামের এক গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে বলে সংবাদ পায় পুলিশ। পরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নিহত ওই গৃহবধুর স্বামী তারিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করেছেন তারিকুল ইসলাম।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারিকুল ইসলাম জানায়, ফারজানা ইসলাম মিশুর অন্য এক যুবক পরকীয়া করতেন। আর এই পরকীয়ার জের ধরেই প্রায় সময় তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হতো। অন্য দিনের মতো রোববার সকালেও তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাটি হলে একপর্যায়ে তারিকুল ইসলাম হাতে ছুড়ি নিয়ে ফারজানা ইসলাম মিশুর বুকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই ফারজানা ইসলাম মিতুর মৃত্যু হয়।
ওসি আরো জানান, নিহত ফারজানা ইসলাম মিতুর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসলে হত্যা মামলার করা হবে। মরদেহ নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এযি কর্মর্তা।

প্রতিবেশীরা জানান, কনিকার বাড়ি পাশের ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ঝুরঝুরিয়া গ্রামে। বছর বছর ছয়েক আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকা রাজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে রাজীব বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান।
১৭ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
১৯ ঘণ্টা আগে