
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১১ ধরনের ভেজাল সার ও কীটনাশক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এসব সার ও কীটনাশকের বাজারমূল্য ১৮ লাখ টাকার বেশি। পরে ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির ওই কারখানা সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী (ছাতির বাজার) গ্রামের ইসমাইলের মোড়ের ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে আট টন নকল আলিফ জিপসাম, দুই টন পাওয়ার জৈবসার, দুই টন শক্তি জিংক প্লাস, দেড় টন গ্রোজিং, ৪২৫ কেজি রোটন প্লাস, সোয়া এক টন জিপসামের কাঁচামাল, ৫৫০ কেজি জিংকের কাঁচামাল, ৯৫০ কেজি ইটের গুঁড়া, দেড় টন খোলা জিপসাম, ২৬ কেজি ডায়াজিনান ও ২০ কেজি ফরফুরান ১৫জি সার জব্দ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযানে সার তৈরির একটি মেশিন জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা সারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা জানান, তিনি স্থানীয় এক গণমাধ্যম কর্মীর মাধ্যমে ওই কারখানায় নকল সার ও কীটনাশক প্যাকেটজাত করার খবর পান। তাৎক্ষণিক স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায়।
কৃষি কর্মকর্তা বন্যা বলেন, ‘গুডাউনে কেবল চিনামাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সার তৈরি করা হচ্ছিল। গ্রোজিং, জিংক, বাসুডিন, পাওয়ার, জৈবসার, কাঁচামাল ইটের গুঁড়া ও মাটি দিয়ে বিভিন্ন নামে সার ও কীটনাশক তৈরি করা হচ্ছিল। আমরা মোট ১৮ টন সার ও কীটনাশক জব্দ করেছি। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কৃষি কর্মকর্তা জানান, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা এলাকার আলিফ নামে এক ব্যক্তি তিন মাস আগে স্থানীয় সানজিদার গুদাম ভাড়া নিয়ে নকল সার ও কীটনাশক তৈরির ওই কারখানা গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটে করে ওইসব নকল সার ও কীটনাশক বাজারজাত করা হতো।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও শ্রীপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজিব আহমেদ বলেন, ‘ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল সার, ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সঙ্গে কথা বলে জব্দ করা ভেজাল সার মাটিতে পুঁতে ফেলা হবে এবং খালি প্যাকেটগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হবে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১১ ধরনের ভেজাল সার ও কীটনাশক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এসব সার ও কীটনাশকের বাজারমূল্য ১৮ লাখ টাকার বেশি। পরে ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির ওই কারখানা সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী (ছাতির বাজার) গ্রামের ইসমাইলের মোড়ের ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে আট টন নকল আলিফ জিপসাম, দুই টন পাওয়ার জৈবসার, দুই টন শক্তি জিংক প্লাস, দেড় টন গ্রোজিং, ৪২৫ কেজি রোটন প্লাস, সোয়া এক টন জিপসামের কাঁচামাল, ৫৫০ কেজি জিংকের কাঁচামাল, ৯৫০ কেজি ইটের গুঁড়া, দেড় টন খোলা জিপসাম, ২৬ কেজি ডায়াজিনান ও ২০ কেজি ফরফুরান ১৫জি সার জব্দ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযানে সার তৈরির একটি মেশিন জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা সারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা জানান, তিনি স্থানীয় এক গণমাধ্যম কর্মীর মাধ্যমে ওই কারখানায় নকল সার ও কীটনাশক প্যাকেটজাত করার খবর পান। তাৎক্ষণিক স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায়।
কৃষি কর্মকর্তা বন্যা বলেন, ‘গুডাউনে কেবল চিনামাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সার তৈরি করা হচ্ছিল। গ্রোজিং, জিংক, বাসুডিন, পাওয়ার, জৈবসার, কাঁচামাল ইটের গুঁড়া ও মাটি দিয়ে বিভিন্ন নামে সার ও কীটনাশক তৈরি করা হচ্ছিল। আমরা মোট ১৮ টন সার ও কীটনাশক জব্দ করেছি। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কৃষি কর্মকর্তা জানান, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা এলাকার আলিফ নামে এক ব্যক্তি তিন মাস আগে স্থানীয় সানজিদার গুদাম ভাড়া নিয়ে নকল সার ও কীটনাশক তৈরির ওই কারখানা গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটে করে ওইসব নকল সার ও কীটনাশক বাজারজাত করা হতো।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও শ্রীপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজিব আহমেদ বলেন, ‘ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল সার, ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সঙ্গে কথা বলে জব্দ করা ভেজাল সার মাটিতে পুঁতে ফেলা হবে এবং খালি প্যাকেটগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হবে।’

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
২ দিন আগে