
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় দুই কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে তাদের দুজনকে কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান জানান, সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাকিবকে ও মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে নাজমুলকে আটক করা হয়।
আটক দুই কিশোরের বাড়ি গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানার রবিদাস পাড়ায়। এর মধ্যে একজন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
কাশিমপুরের শ্মশানঘাট পূজা মণ্ডপে গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পূজার আয়োজক অগ্রগামী যুব সংঘ সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের সভাপতি প্রবীর দত্ত বাপ্পা পরদিন বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, আটক দুজন প্রতিমা তৈরির কাজ দেখতে গেলে প্রতিমার কারিগর তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। একপর্যায়ে তারা ওখানে দাঁড়িয়ে থাকায় তাদেরকে দূরে যেতে বলে। কারিগরদের ব্যাবহারে তারা রুষ্ট হয়ে প্রতিমা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রবীর দত্ত বাপ্পা বলেন, গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। আমি মণ্ডপে আলো জ্বালাতে গিয়ে দেখি প্রতিমাগুলো ভাঙচুর করা হয়েছে। গণেশের মাথা ভাঙা, লক্ষ্মীর মুখমণ্ডল ভাঙা, দেবী দুর্গার হাত ভাঙা, অসুরের হাত ভাঙা ও বাহনগুলোর কান-হাত ভাঙা।
শ্মশানঘাট পূজা মণ্ডপে নির্মাণাধীন প্রতিমাগুলো কাপড় দিয়ে ঘেরা ছিল। সেখানে কোনো পাহারার ব্যবস্থা বা সিসি ক্যামেরা ছিল না। ভাঙচুরেরর খবর পেয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের ৎঅপরাধ দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন।

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় দুই কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে তাদের দুজনকে কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান জানান, সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাকিবকে ও মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে নাজমুলকে আটক করা হয়।
আটক দুই কিশোরের বাড়ি গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানার রবিদাস পাড়ায়। এর মধ্যে একজন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
কাশিমপুরের শ্মশানঘাট পূজা মণ্ডপে গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পূজার আয়োজক অগ্রগামী যুব সংঘ সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের সভাপতি প্রবীর দত্ত বাপ্পা পরদিন বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, আটক দুজন প্রতিমা তৈরির কাজ দেখতে গেলে প্রতিমার কারিগর তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। একপর্যায়ে তারা ওখানে দাঁড়িয়ে থাকায় তাদেরকে দূরে যেতে বলে। কারিগরদের ব্যাবহারে তারা রুষ্ট হয়ে প্রতিমা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রবীর দত্ত বাপ্পা বলেন, গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। আমি মণ্ডপে আলো জ্বালাতে গিয়ে দেখি প্রতিমাগুলো ভাঙচুর করা হয়েছে। গণেশের মাথা ভাঙা, লক্ষ্মীর মুখমণ্ডল ভাঙা, দেবী দুর্গার হাত ভাঙা, অসুরের হাত ভাঙা ও বাহনগুলোর কান-হাত ভাঙা।
শ্মশানঘাট পূজা মণ্ডপে নির্মাণাধীন প্রতিমাগুলো কাপড় দিয়ে ঘেরা ছিল। সেখানে কোনো পাহারার ব্যবস্থা বা সিসি ক্যামেরা ছিল না। ভাঙচুরেরর খবর পেয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের ৎঅপরাধ দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে