
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

যমুনা সেতুতে একাধিক যানবাহন বিকল হওয়া, সড়ক দুর্ঘটনা এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সৃষ্ট দীর্ঘ যানজট অবশেষে কেটে গেছে।
শনিবার (৬ জুন) দুপুর থেকে যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, শুক্রবার ভোরে যমুনা সেতুর ঢাকামুখী লেনে পর্যায়ক্রমে কয়েকটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়লে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে দুর্ঘটনা ও নতুন করে আরও কয়েকটি যানবাহন বিকল হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। একপর্যায়ে সেতুর পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে যমুনা সেতুর ৭ নম্বর পিলারের কাছে দুটি বাসের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর ঢাকামুখী লেনে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সেতুর দুই প্রান্তেই দীর্ঘ সারিতে যানবাহন আটকা পড়ে। পরে উদ্ধারকারী যান দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাস সরিয়ে নেওয়া হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
তবে রাতের শেষ ভাগে ও ভোরে আবার কয়েকটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় যানজট আরও দীর্ঘ হয়। এতে ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনা ও বিকল যানবাহনের কারণে শনিবার ভোর পর্যন্ত সেতুর পশ্চিম প্রান্তে দীর্ঘ যানজট ছিল। তবে বিকল যানবাহন অপসারণের পর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং সকাল ৯টার পর মহাসড়ক পুরোপুরি যানজটমুক্ত হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করছে। কোথাও যানজটের চিহ্ন নেই।
যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনা, বিকল যানবাহন ও অতিরিক্ত চাপের কারণে সেতুর উভয় প্রান্তে যানজট তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দুর্ঘটনাকবলিত ও বিকল যানবাহন দ্রুত অপসারণের ফলে বর্তমানে সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

যমুনা সেতুতে একাধিক যানবাহন বিকল হওয়া, সড়ক দুর্ঘটনা এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সৃষ্ট দীর্ঘ যানজট অবশেষে কেটে গেছে।
শনিবার (৬ জুন) দুপুর থেকে যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, শুক্রবার ভোরে যমুনা সেতুর ঢাকামুখী লেনে পর্যায়ক্রমে কয়েকটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়লে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে দুর্ঘটনা ও নতুন করে আরও কয়েকটি যানবাহন বিকল হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। একপর্যায়ে সেতুর পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে যমুনা সেতুর ৭ নম্বর পিলারের কাছে দুটি বাসের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর ঢাকামুখী লেনে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সেতুর দুই প্রান্তেই দীর্ঘ সারিতে যানবাহন আটকা পড়ে। পরে উদ্ধারকারী যান দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাস সরিয়ে নেওয়া হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
তবে রাতের শেষ ভাগে ও ভোরে আবার কয়েকটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় যানজট আরও দীর্ঘ হয়। এতে ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনা ও বিকল যানবাহনের কারণে শনিবার ভোর পর্যন্ত সেতুর পশ্চিম প্রান্তে দীর্ঘ যানজট ছিল। তবে বিকল যানবাহন অপসারণের পর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং সকাল ৯টার পর মহাসড়ক পুরোপুরি যানজটমুক্ত হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করছে। কোথাও যানজটের চিহ্ন নেই।
যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনা, বিকল যানবাহন ও অতিরিক্ত চাপের কারণে সেতুর উভয় প্রান্তে যানজট তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দুর্ঘটনাকবলিত ও বিকল যানবাহন দ্রুত অপসারণের ফলে বর্তমানে সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে
টানা বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
২ দিন আগে