
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ায় ঘটনায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও ১৭ জনকে। সেখানে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে ৩ নম্বর পন্টুনে ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বিকেলে ঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে গেলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন। বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ ও অরও ১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, বাসের বাকি যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে। উদ্ধারকাজে যোগ দিতে ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে তারা দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়েছে। পরে বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে উদ্ধারকারী দলটি দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘাট থেকে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর প্রায় ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। বাসটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে পাঁচ-সাতজন শুরুতেই বের হতে পারেন। বাকি যাত্রীরা সবাই বাসের সঙ্গে নদীতে ডুবে যান।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, পানির নিচে বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উদ্ধারকারী যান ‘হামজা’র সহায়তায় বাসটি তোলার চেষ্টা চলছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ায় ঘটনায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও ১৭ জনকে। সেখানে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে ৩ নম্বর পন্টুনে ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বিকেলে ঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে গেলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন। বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ ও অরও ১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, বাসের বাকি যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে। উদ্ধারকাজে যোগ দিতে ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে তারা দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়েছে। পরে বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে উদ্ধারকারী দলটি দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘাট থেকে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর প্রায় ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। বাসটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে পাঁচ-সাতজন শুরুতেই বের হতে পারেন। বাকি যাত্রীরা সবাই বাসের সঙ্গে নদীতে ডুবে যান।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, পানির নিচে বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উদ্ধারকারী যান ‘হামজা’র সহায়তায় বাসটি তোলার চেষ্টা চলছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে