
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নাটোরের লালপুরে ছেলের সামনে ট্রেনে কাটা পড়ে মায়ের মৃত্যু ঘটেছে। ছেলেকে নিয়ে রাজশাহী যাওয়ার জন্য আব্দুলপুর রেলস্টেশনে রেললাইন পার হওয়ার সময় প্রাণ হারান তিনি।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আব্দুলপুর রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া এ দিন নেত্রকোনা ও চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে আরও দুজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতেও হবিগঞ্জে এখন প্রাণ হারিয়েছেন ট্রেনে কাটা পড়ে।
নাটোরের দুর্ঘটনায় নিহত মায়া (৬০) রাজশাহীর নন্দনগাছি এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামী মৃত মনি। ছেলেকে নিয়ে রাজশাহী থাকেন তিনি। শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, মায়া ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে রাজশাহীগামী কমিউটার এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠার জন্য আব্দুলপুর রেলস্টেশনে যান। ট্রেন আসার মুহূর্তে তারা রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ছেলে তাড়াহুড়ো করে প্ল্যাটফর্মে উঠতে পারলেও মায়া ট্রেনে কাটা পড়েন। তাৎক্ষণিক মৃত্যু হয় তার।
এদিকে নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুর বাজার এলাকায় শুক্রবার (১৮জুলাই) ভোরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক পুরুষ নিহত হয়েছেন। তার বয়স আনুমানিক ৫০ বছর।
মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্য মো. আঙ্গুর মিয়া জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে জেলা শহরের রাজুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে ওই ব্যক্তি ট্রেনে কাটা পড়েন। খবর পেয়ে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
শুক্রবার সকালেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের সাতকানিয়ায় রেলওয়ে স্টেশনের উত্তর পাশে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক নারীর মৃত্যু হয়। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে ছেড়ে যাওয়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের পথে ছেড়ে যাওয়া সৈকত এক্সপ্রেসের কোনো একটিতে তিনি কাটা পড়েন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাতকানিয়া রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রতন কান্তি দাশ জানান, সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়। সকালে দুটি ট্রেন সাতকানিয়া অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে কোন ট্রেনে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সিলেটগামী ‘কালনী এক্সপ্রেস’ ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। নোয়াপাড়া রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. মনির মিয়া জানান, দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নাটোরের লালপুরে ছেলের সামনে ট্রেনে কাটা পড়ে মায়ের মৃত্যু ঘটেছে। ছেলেকে নিয়ে রাজশাহী যাওয়ার জন্য আব্দুলপুর রেলস্টেশনে রেললাইন পার হওয়ার সময় প্রাণ হারান তিনি।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আব্দুলপুর রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া এ দিন নেত্রকোনা ও চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে আরও দুজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতেও হবিগঞ্জে এখন প্রাণ হারিয়েছেন ট্রেনে কাটা পড়ে।
নাটোরের দুর্ঘটনায় নিহত মায়া (৬০) রাজশাহীর নন্দনগাছি এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামী মৃত মনি। ছেলেকে নিয়ে রাজশাহী থাকেন তিনি। শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, মায়া ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে রাজশাহীগামী কমিউটার এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠার জন্য আব্দুলপুর রেলস্টেশনে যান। ট্রেন আসার মুহূর্তে তারা রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ছেলে তাড়াহুড়ো করে প্ল্যাটফর্মে উঠতে পারলেও মায়া ট্রেনে কাটা পড়েন। তাৎক্ষণিক মৃত্যু হয় তার।
এদিকে নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুর বাজার এলাকায় শুক্রবার (১৮জুলাই) ভোরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক পুরুষ নিহত হয়েছেন। তার বয়স আনুমানিক ৫০ বছর।
মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্য মো. আঙ্গুর মিয়া জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে জেলা শহরের রাজুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে ওই ব্যক্তি ট্রেনে কাটা পড়েন। খবর পেয়ে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
শুক্রবার সকালেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের সাতকানিয়ায় রেলওয়ে স্টেশনের উত্তর পাশে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক নারীর মৃত্যু হয়। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে ছেড়ে যাওয়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের পথে ছেড়ে যাওয়া সৈকত এক্সপ্রেসের কোনো একটিতে তিনি কাটা পড়েন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাতকানিয়া রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রতন কান্তি দাশ জানান, সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়। সকালে দুটি ট্রেন সাতকানিয়া অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে কোন ট্রেনে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সিলেটগামী ‘কালনী এক্সপ্রেস’ ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। নোয়াপাড়া রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. মনির মিয়া জানান, দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১ দিন আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে