
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। এতে মিঠুন (৪০) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির সমর্থক দুই নারী কর্মীকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের ইসমাইল স্বর্ণকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত জামায়াত কর্মী মিঠুনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আর থানা হেফাজতে নেওয়া দুই নারী হলেন— শালঘরিয়া গ্রামের মাছুফা বেগম (৪৫) ও খুশি খাতুন (২৫)।
মিঠুন অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছিলেন। এতে প্রতিবাদ করলে এক নারী কর্মী ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন।
রাজশাহী জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, বিএনপি কর্মীরা সকাল থেকেই তাদের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছিলেন এবং মারধর করছিলেন।
তবে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও কেন্দ্রের নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা হেলাল উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল। জামায়াত নেতা লিটন কেন্দ্রে আসার পর তারা ভোট কেনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, উত্তেজনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনাস্থল থেকে দুই নারীকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। এতে মিঠুন (৪০) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির সমর্থক দুই নারী কর্মীকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের ইসমাইল স্বর্ণকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত জামায়াত কর্মী মিঠুনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আর থানা হেফাজতে নেওয়া দুই নারী হলেন— শালঘরিয়া গ্রামের মাছুফা বেগম (৪৫) ও খুশি খাতুন (২৫)।
মিঠুন অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছিলেন। এতে প্রতিবাদ করলে এক নারী কর্মী ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন।
রাজশাহী জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, বিএনপি কর্মীরা সকাল থেকেই তাদের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছিলেন এবং মারধর করছিলেন।
তবে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও কেন্দ্রের নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা হেলাল উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল। জামায়াত নেতা লিটন কেন্দ্রে আসার পর তারা ভোট কেনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, উত্তেজনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনাস্থল থেকে দুই নারীকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে