বিচারকের ছেলে হত্যায় আসামি লিমন মিয়া ফের ৫ দিনের রিমান্ডে

রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন (১৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামি লিমন মিয়ার আরও ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী মহানগর আদালত-৫ এর বিচারক আশিকুর রহমান এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম জানান, প্রথম দফার ৫ দিনের রিমান্ড শেষে লিমনকে আদালতে হাজির করে রাজপাড়া থানা পুলিশ নতুন করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ নভেম্বর দুপুরে রাজশাহীর রাজপাড়া থানার ডাবতলা এলাকায় বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তাঁর ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা এবং স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসীকে গুরুতর আহত করে লিমন মিয়া। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর বিচারক বাদী হয়ে রাজপাড়া থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ লিমনকে গ্রেপ্তার করে। সেই মামলায় তাকে আবারও রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিল আদালত।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

১৫ আগস্ট ঘিরে আয়োজন, চট্টগ্রামে ১৫ আইনজীবী গ্রেপ্তার

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

১ দিন আগে

রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে প্রাণ গেল ৪ জনের, আহত ২

যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

১ দিন আগে

ফতুল্লায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলি, ৩ পুলিশসহ আহত ৪

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও

২ দিন আগে

সীতাকুণ্ডের জাহাজে মিলল মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড

পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির

২ দিন আগে