
নাটোর প্রতিনিধি

ফ্যাসিবাদ বারে বার ফিরে আসার চেষ্টা করলে তাকে দমন করতে হবে উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের শিল্প এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, পরাজিত ফ্যাসিবাদ চলে গেছে ভেবে কেউ যেন মনে না করে তারা আর ষড়যন্ত্র করবে না। তাদের ষড়যন্ত্র চলমান।
শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে নাটোরের ভবানীগঞ্জ মোড়ে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আদিলুর রহমান খান আরও বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে একদল তরুণ জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিল। তখন সারা দেশের মানুষ তাদের পেছনে এসে দাঁড়িয়েছিল। ৩৬ দিনের সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। তবে এখনো সব আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। আমাদের সামনে বিচার ও সংস্কারের কাজ বাকি রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিচারকে দৃশ্যমান করার প্রক্রিয়া চলছে। সংস্কারও আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে যাচ্ছি। আমরা চেষ্টা করছি দেশের জনগণকে সেই মুক্তির লক্ষ্যে এগিয়ে নিতে, যেই লক্ষ্য নিয়ে তরুণরা একসময় আলো জ্বালিয়েছিল।’
আদিলুর রহমান খান আরও বলেন, ‘এখন আমাদের তৃতীয় কাজ, নির্বাচন- যার ঘোষণা এরই মধ্যে এসেছে। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের দায়িত্ব যতদূর সম্ভব বাস্তবায়ন করতে। কেননা, এটি শুধু একটি সরকার নয়, এটি গণঅভ্যুত্থানের সরকার। সে কারণে আমরা সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশের শহীদদের কবরগুলো সংরক্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে তাদের স্মৃতি ধরে রাখা যায়। যারা আহত হয়েছেন, তাদের জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জুলাইয়ের শহীদরা জাতির সূর্যসন্তান।’
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, নাটোরের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, শহীদ আকিবের বাবা জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন খান, এবং সিংড়ার শহীদ হৃদয়ের বাবা রাজু আহমেদ।

ফ্যাসিবাদ বারে বার ফিরে আসার চেষ্টা করলে তাকে দমন করতে হবে উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের শিল্প এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, পরাজিত ফ্যাসিবাদ চলে গেছে ভেবে কেউ যেন মনে না করে তারা আর ষড়যন্ত্র করবে না। তাদের ষড়যন্ত্র চলমান।
শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে নাটোরের ভবানীগঞ্জ মোড়ে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আদিলুর রহমান খান আরও বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে একদল তরুণ জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিল। তখন সারা দেশের মানুষ তাদের পেছনে এসে দাঁড়িয়েছিল। ৩৬ দিনের সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। তবে এখনো সব আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। আমাদের সামনে বিচার ও সংস্কারের কাজ বাকি রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিচারকে দৃশ্যমান করার প্রক্রিয়া চলছে। সংস্কারও আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে যাচ্ছি। আমরা চেষ্টা করছি দেশের জনগণকে সেই মুক্তির লক্ষ্যে এগিয়ে নিতে, যেই লক্ষ্য নিয়ে তরুণরা একসময় আলো জ্বালিয়েছিল।’
আদিলুর রহমান খান আরও বলেন, ‘এখন আমাদের তৃতীয় কাজ, নির্বাচন- যার ঘোষণা এরই মধ্যে এসেছে। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের দায়িত্ব যতদূর সম্ভব বাস্তবায়ন করতে। কেননা, এটি শুধু একটি সরকার নয়, এটি গণঅভ্যুত্থানের সরকার। সে কারণে আমরা সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশের শহীদদের কবরগুলো সংরক্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে তাদের স্মৃতি ধরে রাখা যায়। যারা আহত হয়েছেন, তাদের জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জুলাইয়ের শহীদরা জাতির সূর্যসন্তান।’
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, নাটোরের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, শহীদ আকিবের বাবা জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন খান, এবং সিংড়ার শহীদ হৃদয়ের বাবা রাজু আহমেদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
৩ দিন আগে