
অলীপ ঘটক, বাগেরহাট

সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হলো একটি খাঁচার দরজা। কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল বাঘিনী। যেন চারপাশের বাতাস, কাদার গন্ধ আর পরিচিত বনের শব্দগুলো আবার চিনে নিতে চাইছে। তারপর ধীর পায়ে এগিয়ে গেল গাছের আড়ালে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মিলিয়ে গেল সুন্দরবনের সবুজ অন্ধকারে।
এ ঘটনা রোববারের (১২ জুলাই)। তবে এটি কেবল একটি বাঘিনীর বনে ফিরে যাওয়ার দৃশ্যই নয়, এটি ছয় মাসের চিকিৎসা, পরিচর্যা, অপেক্ষা আর এক টুকরো আশার পরিণতি। বন কর্মকর্তাদের ভাষায়, সুন্দরবনের ইতিহাসে এটি এক স্মরণীয় দিন।
মাত্র ছয় মাস আগেও এই বাঘিনীর ভবিষ্যৎ ছিল অনিশ্চিত। গত ৪ জানুয়ারি মোংলার বৈদ্যমারী ফরেস্ট ক্যাম্পসংলগ্ন শড়কির খাল এলাকায় তাকে উদ্ধার করা হয়। তারও চার-পাঁচ দিন আগে হরিণ শিকারিদের পাতা ইস্পাতের ফাঁদে আটকে পড়েছিল সে। ফাঁদের নির্মম চাপ সামনের বাম পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি করে। ক্ষুধা, যন্ত্রণা আর রক্তক্ষরণে দুর্বল হয়ে পড়া বাঘিনী তখন আর বনজীবনের স্বাভাবিক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে পারছিল না।
ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল ট্রাংকুলাইজারের মাধ্যমে বাঘিনীকে অচেতন করে উদ্ধার করে খুলনার বন বিভাগের বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা। ক্ষত সারানো, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, পেশির শক্তি ফিরিয়ে আনা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ— সে আবার নিজের শিকার ধরতে ও স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য চলে নিবিড় পর্যবেক্ষণ।
ছয় মাস এক সপ্তাহ পর চিকিৎসকেরা যখন নিশ্চিত হন যে বাঘিনীটি আবার বনের জীবনে ফিরে যেতে সক্ষম, তখনই নেওয়া হয় তাকে মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আহত একটি বাঘটিকে চিকিৎসা দিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ করে আবার সুন্দরবনে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দেশে এই প্রথম। এটি শুধু বন বিভাগের নয়, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ইতিহাসেও একটি নতুন অধ্যায়।
প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর মতে, এ ঘটনা প্রমাণ করে, বন রক্ষার প্রচেষ্টায় নতুন পরিবর্তন এসেছে। একসময় সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় মানুষ ও বাঘের সংঘাত ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। লোকালয়ে ঢুকে পড়া বাঘকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও ঘটত। এখন ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি), বনপ্রান্তে ৩৫ কিলোমিটার দড়ির ফেন্সিং ও বনকর্মীদের পায়ে হেঁটে নিয়মিত টহলের কারণে সেই সংঘাত অনেকটাই কমেছে।
আমির হোসাইন জানান, আগে বন কর্মীরা মূলত নৌকায় টহল দিতেন। এখন তাদের বনভূমির ভেতরে হেঁটে টহল দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে চোরা শিকারিদের পাতা ফাঁদ সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এ পরিবর্তনের ফলেই বন জুড়ে অবৈধ ফাঁদ অপসারণে সাফল্য মিলছে।
এ গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ‘ক্যামেরা’। কারণ বাঘিনীকে ছেড়ে দিয়েই বন বিভাগের দায়িত্ব শেষ হয়নি। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, আধুনিক ইনফ্রারেড প্রযুক্তির ২০টি ক্যামেরা এরই মধ্যে বসানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি স্থাপন করা হয়েছে যেখানে বাঘিনীকে অবমুক্ত করা হয়েছে, আর একটি বসানো হয়েছে সেই স্থানে, যেখানে ছয় মাস আগে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল।

প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচল শনাক্ত করে প্রথম ১০ সেকেন্ডের ভিডিও ও পরবর্তী ১০ সেকেন্ডের স্থিরচিত্র ধারণ করবে। এর মাধ্যমে দেখা হবে বাঘিনীটি কেমনভাবে চলাফেরা করছে, শিকার করতে পারছে কি না, কিংবা নিজের পুরোনো বিচরণক্ষেত্রে ফিরে যাচ্ছে কি না।
বন কর্মকর্তাদের হিসাবে, একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘ সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিচরণ করে। এ কারণে তাকে আগের উদ্ধারস্থল থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবমুক্ত করা হয়েছে, যেন সে নিরাপদে নিজের নতুন বা পুরোনো এলাকা বেছে নিতে পারে।
প্রায় ৯ থেকে ১০ বছর বয়সী, প্রায় আট ফুট দীর্ঘ এই বাঘিনী এখন সুন্দরবনের ১২৫টি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একজন। তবে এ গল্প শুধু একটি বাঘিনীর নয়। এটি মনে করিয়ে দেয়, মানুষের পাতা একটি ফাঁদ কত সহজে একটি বন্যপ্রাণীর জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। আবার একই সঙ্গে এটিও প্রমাণ করে, আন্তরিক চেষ্টা, বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এবং কার্যকর সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকলে প্রকৃতিকে তার হারানো প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব।
রোববার সুন্দরবনের আন্ধারমানিকের বনে মিলিয়ে যাওয়া সেই ডোরাকাটা শরীর হয়তো আর সহজে মানুষের চোখে ধরা দেবে না। কিন্তু গাছের গায়ে বাঁধা ছোট্ট ইনফ্রারেড ক্যামেরাগুলো নীরবে তার চলার পথ রেকর্ড করবে। সেই ফুটেজ শুধু একটি বাঘিনীর জীবনযাত্রার দলিল হবে না, এটি হবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের এক নতুন আশার গল্প।

সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হলো একটি খাঁচার দরজা। কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল বাঘিনী। যেন চারপাশের বাতাস, কাদার গন্ধ আর পরিচিত বনের শব্দগুলো আবার চিনে নিতে চাইছে। তারপর ধীর পায়ে এগিয়ে গেল গাছের আড়ালে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মিলিয়ে গেল সুন্দরবনের সবুজ অন্ধকারে।
এ ঘটনা রোববারের (১২ জুলাই)। তবে এটি কেবল একটি বাঘিনীর বনে ফিরে যাওয়ার দৃশ্যই নয়, এটি ছয় মাসের চিকিৎসা, পরিচর্যা, অপেক্ষা আর এক টুকরো আশার পরিণতি। বন কর্মকর্তাদের ভাষায়, সুন্দরবনের ইতিহাসে এটি এক স্মরণীয় দিন।
মাত্র ছয় মাস আগেও এই বাঘিনীর ভবিষ্যৎ ছিল অনিশ্চিত। গত ৪ জানুয়ারি মোংলার বৈদ্যমারী ফরেস্ট ক্যাম্পসংলগ্ন শড়কির খাল এলাকায় তাকে উদ্ধার করা হয়। তারও চার-পাঁচ দিন আগে হরিণ শিকারিদের পাতা ইস্পাতের ফাঁদে আটকে পড়েছিল সে। ফাঁদের নির্মম চাপ সামনের বাম পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি করে। ক্ষুধা, যন্ত্রণা আর রক্তক্ষরণে দুর্বল হয়ে পড়া বাঘিনী তখন আর বনজীবনের স্বাভাবিক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে পারছিল না।
ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল ট্রাংকুলাইজারের মাধ্যমে বাঘিনীকে অচেতন করে উদ্ধার করে খুলনার বন বিভাগের বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা। ক্ষত সারানো, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, পেশির শক্তি ফিরিয়ে আনা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ— সে আবার নিজের শিকার ধরতে ও স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য চলে নিবিড় পর্যবেক্ষণ।
ছয় মাস এক সপ্তাহ পর চিকিৎসকেরা যখন নিশ্চিত হন যে বাঘিনীটি আবার বনের জীবনে ফিরে যেতে সক্ষম, তখনই নেওয়া হয় তাকে মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আহত একটি বাঘটিকে চিকিৎসা দিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ করে আবার সুন্দরবনে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দেশে এই প্রথম। এটি শুধু বন বিভাগের নয়, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ইতিহাসেও একটি নতুন অধ্যায়।
প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর মতে, এ ঘটনা প্রমাণ করে, বন রক্ষার প্রচেষ্টায় নতুন পরিবর্তন এসেছে। একসময় সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় মানুষ ও বাঘের সংঘাত ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। লোকালয়ে ঢুকে পড়া বাঘকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও ঘটত। এখন ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি), বনপ্রান্তে ৩৫ কিলোমিটার দড়ির ফেন্সিং ও বনকর্মীদের পায়ে হেঁটে নিয়মিত টহলের কারণে সেই সংঘাত অনেকটাই কমেছে।
আমির হোসাইন জানান, আগে বন কর্মীরা মূলত নৌকায় টহল দিতেন। এখন তাদের বনভূমির ভেতরে হেঁটে টহল দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে চোরা শিকারিদের পাতা ফাঁদ সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এ পরিবর্তনের ফলেই বন জুড়ে অবৈধ ফাঁদ অপসারণে সাফল্য মিলছে।
এ গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ‘ক্যামেরা’। কারণ বাঘিনীকে ছেড়ে দিয়েই বন বিভাগের দায়িত্ব শেষ হয়নি। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, আধুনিক ইনফ্রারেড প্রযুক্তির ২০টি ক্যামেরা এরই মধ্যে বসানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি স্থাপন করা হয়েছে যেখানে বাঘিনীকে অবমুক্ত করা হয়েছে, আর একটি বসানো হয়েছে সেই স্থানে, যেখানে ছয় মাস আগে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল।

প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচল শনাক্ত করে প্রথম ১০ সেকেন্ডের ভিডিও ও পরবর্তী ১০ সেকেন্ডের স্থিরচিত্র ধারণ করবে। এর মাধ্যমে দেখা হবে বাঘিনীটি কেমনভাবে চলাফেরা করছে, শিকার করতে পারছে কি না, কিংবা নিজের পুরোনো বিচরণক্ষেত্রে ফিরে যাচ্ছে কি না।
বন কর্মকর্তাদের হিসাবে, একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘ সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিচরণ করে। এ কারণে তাকে আগের উদ্ধারস্থল থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবমুক্ত করা হয়েছে, যেন সে নিরাপদে নিজের নতুন বা পুরোনো এলাকা বেছে নিতে পারে।
প্রায় ৯ থেকে ১০ বছর বয়সী, প্রায় আট ফুট দীর্ঘ এই বাঘিনী এখন সুন্দরবনের ১২৫টি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একজন। তবে এ গল্প শুধু একটি বাঘিনীর নয়। এটি মনে করিয়ে দেয়, মানুষের পাতা একটি ফাঁদ কত সহজে একটি বন্যপ্রাণীর জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। আবার একই সঙ্গে এটিও প্রমাণ করে, আন্তরিক চেষ্টা, বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এবং কার্যকর সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকলে প্রকৃতিকে তার হারানো প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব।
রোববার সুন্দরবনের আন্ধারমানিকের বনে মিলিয়ে যাওয়া সেই ডোরাকাটা শরীর হয়তো আর সহজে মানুষের চোখে ধরা দেবে না। কিন্তু গাছের গায়ে বাঁধা ছোট্ট ইনফ্রারেড ক্যামেরাগুলো নীরবে তার চলার পথ রেকর্ড করবে। সেই ফুটেজ শুধু একটি বাঘিনীর জীবনযাত্রার দলিল হবে না, এটি হবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের এক নতুন আশার গল্প।

ট্রেনে যাত্রী শাবনুর বলেন, ট্রেন যেতে যেতে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়। এরপর থেমে যাই। পরে দেখা যায় একটি ট্রেনের বগে লাইনচ্যুত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সন্ধ্যায় জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজিব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি উলটে অটোরিকশার ওপর পড়ে। দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় তিনজনের। আরও দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
১ দিন আগে
মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ে ধাক্কা খেয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস উলটে আট যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) পাবনা জেলা শাখার আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জনমনে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। খালেদ হোসেন পরাগ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী হিসেবে কর্ম
১ দিন আগে