
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হামলা ও মারধর শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। একটি উলটে যাওয়া ট্রাক্টর উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে ‘পুলিশের তাড়া খেয়েই দুর্ঘটনা ঘটেছে’— এমন গুজব ছড়িয়ে তাদের ওপর এই বর্বর হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের সংগঠন-মুর্খাজোত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন— তেঁতুলিয়া মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানা ও এএসআই তুহিন খান। তারা বর্তমানে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এএসআই সোহেল রানা ও এএসআই তুহিন খান সাদা পোশাকে মোটরসাইকেল নিয়ে ভজনপুর ইউনিয়নের সংগঠন-মুর্খাজোত এলাকায় যান। সেখানে মাদকবিরোধী অভিযান ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য মূলত বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করছিলেন তারা।
একই সময়ে ওই গ্রামের সড়ক দিয়ে একটি ট্রাক্টরের ইঞ্জিন নিয়ে যাচ্ছিলেন চালকসহ বেশ কয়েকজন। পথিমধ্যে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক্টরের ইঞ্জিনটি সড়কের ওপর উলটে যায় এবং ওপরে থাকা লোকজন নিচে ছিটকে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাটি ঘটার পরপরই মানবিক কারণে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাও উলটে যাওয়া ট্রাক্টরটি উদ্ধার করতে এগিয়ে যান। কিন্তু ঠিক ওই মুহূর্তেই উপস্থিত একদল লোক হঠাৎ গুজব রটিয়ে দেয় যে পুলিশের তাড়া খেয়ে বা পুলিশের কারণেই ট্রাক্টরটি উল্টে গেছে।
এই গুজব মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা কিছু না বুঝেই ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানা থেকে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারা উত্তেজিত জনতার হাত থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান জানান, “উলটে যাওয়া ট্রাক্টরটি উদ্ধারের সময় কিছু স্বার্থান্বেষী লোক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ায় যে পুলিশের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এরপরই তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আহত দুই কর্মকর্তার শরীরে মারধরের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া সচল রয়েছে।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হামলা ও মারধর শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। একটি উলটে যাওয়া ট্রাক্টর উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে ‘পুলিশের তাড়া খেয়েই দুর্ঘটনা ঘটেছে’— এমন গুজব ছড়িয়ে তাদের ওপর এই বর্বর হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের সংগঠন-মুর্খাজোত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন— তেঁতুলিয়া মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানা ও এএসআই তুহিন খান। তারা বর্তমানে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এএসআই সোহেল রানা ও এএসআই তুহিন খান সাদা পোশাকে মোটরসাইকেল নিয়ে ভজনপুর ইউনিয়নের সংগঠন-মুর্খাজোত এলাকায় যান। সেখানে মাদকবিরোধী অভিযান ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য মূলত বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করছিলেন তারা।
একই সময়ে ওই গ্রামের সড়ক দিয়ে একটি ট্রাক্টরের ইঞ্জিন নিয়ে যাচ্ছিলেন চালকসহ বেশ কয়েকজন। পথিমধ্যে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক্টরের ইঞ্জিনটি সড়কের ওপর উলটে যায় এবং ওপরে থাকা লোকজন নিচে ছিটকে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাটি ঘটার পরপরই মানবিক কারণে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাও উলটে যাওয়া ট্রাক্টরটি উদ্ধার করতে এগিয়ে যান। কিন্তু ঠিক ওই মুহূর্তেই উপস্থিত একদল লোক হঠাৎ গুজব রটিয়ে দেয় যে পুলিশের তাড়া খেয়ে বা পুলিশের কারণেই ট্রাক্টরটি উল্টে গেছে।
এই গুজব মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা কিছু না বুঝেই ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানা থেকে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারা উত্তেজিত জনতার হাত থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান জানান, “উলটে যাওয়া ট্রাক্টরটি উদ্ধারের সময় কিছু স্বার্থান্বেষী লোক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ায় যে পুলিশের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এরপরই তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আহত দুই কর্মকর্তার শরীরে মারধরের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া সচল রয়েছে।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১১ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে