
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় কবরস্থানের উন্নয়নকাজকে নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার গোপগ্রাম ইউনিয়নের সাতপাখিয়া-বড়ইচারা কবরস্থানে মাটি ভরাটের কাজকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সাতপাখিয়া ও বড়ইচারা গ্রামের মানুষ যৌথভাবে কবরস্থানটি ব্যবহার করে আসছেন। সম্প্রতি কবরস্থানের নিচু জায়গা ভরাট ও উন্নয়নকাজ শুরু হলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সেই বিরোধ থেকেই শুক্রবার সকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সাতপাখিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুজন শেখ অভিযোগ করেন, সকালে তারা মাঠে কাজ করতে গিয়ে দেখেন কবরস্থানের নিচু জমি ভরাটের জন্য মাটি ফেলা হচ্ছে। এ সময় বড়ইচারা গ্রামের ২০০ থেকে ৩০০ জন লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসে। পরে উভয় গ্রামের লোকজন জড়ো হলে সংঘর্ষ বাঁধে।
অন্যদিকে বড়ইচারা গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, প্রায় একশ বছর ধরে উভয় গ্রামের মানুষ ওই কবরস্থানে দাফন করে আসলেও সাতপাখিয়া গ্রামের কিছু লোক গোপনে কবরস্থানের গাছ বিক্রি করেছে। বিষয়টি তাদের না জানানোয় দীর্ঘদিনের ক্ষোভ জমে ছিল। সেই ক্ষোভও সংঘর্ষের অন্যতম কারণ বলে তারা দাবি করেন।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত দুইজনকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গোপগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শিবলী বলেন, দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, কবরস্থান নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় কবরস্থানের উন্নয়নকাজকে নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার গোপগ্রাম ইউনিয়নের সাতপাখিয়া-বড়ইচারা কবরস্থানে মাটি ভরাটের কাজকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সাতপাখিয়া ও বড়ইচারা গ্রামের মানুষ যৌথভাবে কবরস্থানটি ব্যবহার করে আসছেন। সম্প্রতি কবরস্থানের নিচু জায়গা ভরাট ও উন্নয়নকাজ শুরু হলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সেই বিরোধ থেকেই শুক্রবার সকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সাতপাখিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুজন শেখ অভিযোগ করেন, সকালে তারা মাঠে কাজ করতে গিয়ে দেখেন কবরস্থানের নিচু জমি ভরাটের জন্য মাটি ফেলা হচ্ছে। এ সময় বড়ইচারা গ্রামের ২০০ থেকে ৩০০ জন লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসে। পরে উভয় গ্রামের লোকজন জড়ো হলে সংঘর্ষ বাঁধে।
অন্যদিকে বড়ইচারা গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, প্রায় একশ বছর ধরে উভয় গ্রামের মানুষ ওই কবরস্থানে দাফন করে আসলেও সাতপাখিয়া গ্রামের কিছু লোক গোপনে কবরস্থানের গাছ বিক্রি করেছে। বিষয়টি তাদের না জানানোয় দীর্ঘদিনের ক্ষোভ জমে ছিল। সেই ক্ষোভও সংঘর্ষের অন্যতম কারণ বলে তারা দাবি করেন।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত দুইজনকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গোপগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শিবলী বলেন, দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, কবরস্থান নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে