
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের চার জেলায় বজ্রপাতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জ, রংপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সুনামগঞ্জ
জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং চারজন আহত হয়েছেন। দুপুরে পাগনার হাওর, মাটিয়ান হাওর, টগার হাওর ও বরাম হাওরে ধান কাটার সময় এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ধর্মপাশার হাবিবুর রহমান (৩০) ও রহমত উল্লা (১৫), জামালগঞ্জের নাজমুল হোসেন (২৬), তাহিরপুরের আবুল কালাম (২৫) এবং দিরাইয়ের লিটন মিয়া (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে হাওরে কাজরত কৃষকেরা বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা ঘটনাগুলো নিশ্চিত করেছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কথা জানিয়েছেন।
রংপুর
জেলার জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। দুপুর ১টার দিকে উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের পাগলারবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখীপুর গ্রামের তালেব উদ্দিন (৬০) ও মিলন (৩৫) মাছ ধরতে পুকুরে যান। আবহাওয়া খারাপ হলে তারা পুকুরের পাশে একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। হঠাৎ বজ্রপাত হলে সেখানে থাকা ওই দুই কৃষকসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তালেব উদ্দিন ও মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মো. আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
ময়মনসিংহ
জেলার গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় বজ্রপাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। দুপুর ২টার দিকে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— গৌরীপুর উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামের ওলি মিয়ার ছেলে রহমত আলী উজ্জল (৩০), যিনি পেশায় মুদি দোকানি ছিলেন। অপরজন গফরগাঁও উপজেলার ধাইরগাঁও গ্রামের মমতাজ আলী খান (৫৮)।
গফরগাঁও থানার ওসি জানান, মমতাজ আলী খান জোহরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোনা
জেলার আটপাড়া উপজেলায় বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে সুখারী ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের সামনের মেষির হাওরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে তিনি বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। পরে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহানুর রহমান জানান, নিহত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

দেশের চার জেলায় বজ্রপাতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জ, রংপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সুনামগঞ্জ
জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং চারজন আহত হয়েছেন। দুপুরে পাগনার হাওর, মাটিয়ান হাওর, টগার হাওর ও বরাম হাওরে ধান কাটার সময় এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ধর্মপাশার হাবিবুর রহমান (৩০) ও রহমত উল্লা (১৫), জামালগঞ্জের নাজমুল হোসেন (২৬), তাহিরপুরের আবুল কালাম (২৫) এবং দিরাইয়ের লিটন মিয়া (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে হাওরে কাজরত কৃষকেরা বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা ঘটনাগুলো নিশ্চিত করেছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কথা জানিয়েছেন।
রংপুর
জেলার জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। দুপুর ১টার দিকে উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের পাগলারবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখীপুর গ্রামের তালেব উদ্দিন (৬০) ও মিলন (৩৫) মাছ ধরতে পুকুরে যান। আবহাওয়া খারাপ হলে তারা পুকুরের পাশে একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। হঠাৎ বজ্রপাত হলে সেখানে থাকা ওই দুই কৃষকসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তালেব উদ্দিন ও মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মো. আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
ময়মনসিংহ
জেলার গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় বজ্রপাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। দুপুর ২টার দিকে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— গৌরীপুর উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামের ওলি মিয়ার ছেলে রহমত আলী উজ্জল (৩০), যিনি পেশায় মুদি দোকানি ছিলেন। অপরজন গফরগাঁও উপজেলার ধাইরগাঁও গ্রামের মমতাজ আলী খান (৫৮)।
গফরগাঁও থানার ওসি জানান, মমতাজ আলী খান জোহরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোনা
জেলার আটপাড়া উপজেলায় বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে সুখারী ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের সামনের মেষির হাওরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে তিনি বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। পরে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহানুর রহমান জানান, নিহত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একটি বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র ছেলে জুনাইদ ইসলাম সিফাত অজ্ঞাত পরিচয়দের আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
১ দিন আগে
নিহত মঞ্জু শেখ সদর উপজেলার আড়িয়া গোহাইলবাড়ি এলাকার দারোগ শেখের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ এবং চরতারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ রহমত আলীর আপন ভাতিজা।
১ দিন আগে
আহতদের মধ্যে হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবলুর রহমান (৪৮), ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান (৪০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ (৫৭) এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত হোসেনের (২৫) নাম জানা গেছে।
১ দিন আগে
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায় অনেক নারীও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। বর্তমানে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের অবস্থা ‘বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো’র মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের মতো রাতভর পুলিশি টহল বা মাদক পাচারের রুটে নিয়মিত চেকপোস্টও দেখা যায় না। ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে।
১ দিন আগে