
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সারা দেশে সাংবাদিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। এসব কর্মসূচি থেকে তারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
শনিবার (৯ আগস্ট) দিনের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন সাংবাদিকরা। স্থানীয় প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন ফোরাম এসব কর্মসূচিতে অংশ নেয়।
ময়মনসিংহের নান্দাইল প্রতিনিধি জানিয়েছেন, নান্দাইলে কর্মরত সাংবাদিকরা গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকারীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে নান্দাইল উপজেলা পরিষদের সামনে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে কর্মরত প্রায় ৪৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
সেখানে বক্তব্য রাখেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এনামুল হক বাবুল, আবদুল হান্নান মাহমুদ, অরবিন্দ পাল অখিল, আলম ফরাজী, শামছ ই তাবরীজ রায়হান, মোখলেছুর রহমান, হান্নান আল আজাদ, আহসান কাদের, জহিরুল ইসলামসহ অন্যরা।
বক্তারা বলেন, পুলিশ জানিয়েছে সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু আমরা চাই হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হোক।
এ ছাড়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য প্রধার উপদেষ্টার কাছে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান। তারা বলেন, খবর বিপক্ষে গেলেই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা ও খুনের মতো ঘটনা অহরহ ঘটানো হচ্ছে।
মানববন্ধন শেষে সাংবাদিকরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন। তারা জানান, রোববার নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হবে।

নড়াইল প্রতিনিধি জানান, সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে শনিবার সকাল ১১টায় নড়াইল প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সেখানকার সাংবাদিকরা। এর আগে শহর প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।
সাংবাদিকরা বলেন, তুহিনের হত্যাকারীরা কসাই, হায়নার চেয়েও ভয়ংকর। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। সাতজনকে গ্রেপ্তার করলেও এ মৃত্যুর বিচার যেন আই-ওয়াশ না হয়।
নড়াইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হকের সভাপতিত্বে প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ওশান সম্পাদক মো. আলমগীর সিদ্দিকী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাংবাদিক মো. তারিকুজ্জামান লিটু, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রশিদ লাবলু, জেষ্ঠ্য সাংবাদিক মুনির চৌধুরী, সাংবাদিক মলয় নন্দী, সাংবাদিক মো. হাফিজ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তুহিন, আব্দুল আজিজসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
সাংবাদিকরা আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা নেই। এ পরিস্থিতির জন্য প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তারা।

শনিবার দুপুরে নেত্রকোনার বারহাট্টা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে স্থানীয় সাংবাদিকদের মানববন্ধন। ছবি: রাজনীতি ডটকম
নেত্রকোনা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে শনিবার দুপুর ১২টায় স্থানীয় প্রেস ক্লাবের আয়োজনে মানববন্ধন হয়েছে নেত্রকোনার বারহাট্টা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। মানববন্ধনে স্থানীয় সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, তুহিন হত্যার বিচার যেন সাগর-রুনির হত্যার বিচারের মতো প্রহসনে পরিণত না হয়। দ্রুত প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বিশেষ আইন প্রণয়ন ও জারির দাবি জানাই, যেন সংবাদ কর্মীরা নির্ভয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বারহাট্টা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শামছ উদ্দিন আহমেদ বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বারহাট্টা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ বাবুল, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আনিছুল আলম তালুকদার শামীম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির নয়ন, নারী প্রগতি সংঘের বারহাট্টা কেন্দ্রের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম মাজুসহ অন্যরা।

গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সারা দেশে সাংবাদিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। এসব কর্মসূচি থেকে তারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
শনিবার (৯ আগস্ট) দিনের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন সাংবাদিকরা। স্থানীয় প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন ফোরাম এসব কর্মসূচিতে অংশ নেয়।
ময়মনসিংহের নান্দাইল প্রতিনিধি জানিয়েছেন, নান্দাইলে কর্মরত সাংবাদিকরা গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকারীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে নান্দাইল উপজেলা পরিষদের সামনে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে কর্মরত প্রায় ৪৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
সেখানে বক্তব্য রাখেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এনামুল হক বাবুল, আবদুল হান্নান মাহমুদ, অরবিন্দ পাল অখিল, আলম ফরাজী, শামছ ই তাবরীজ রায়হান, মোখলেছুর রহমান, হান্নান আল আজাদ, আহসান কাদের, জহিরুল ইসলামসহ অন্যরা।
বক্তারা বলেন, পুলিশ জানিয়েছে সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু আমরা চাই হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হোক।
এ ছাড়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য প্রধার উপদেষ্টার কাছে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান। তারা বলেন, খবর বিপক্ষে গেলেই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা ও খুনের মতো ঘটনা অহরহ ঘটানো হচ্ছে।
মানববন্ধন শেষে সাংবাদিকরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন। তারা জানান, রোববার নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হবে।

নড়াইল প্রতিনিধি জানান, সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে শনিবার সকাল ১১টায় নড়াইল প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সেখানকার সাংবাদিকরা। এর আগে শহর প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।
সাংবাদিকরা বলেন, তুহিনের হত্যাকারীরা কসাই, হায়নার চেয়েও ভয়ংকর। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। সাতজনকে গ্রেপ্তার করলেও এ মৃত্যুর বিচার যেন আই-ওয়াশ না হয়।
নড়াইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হকের সভাপতিত্বে প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ওশান সম্পাদক মো. আলমগীর সিদ্দিকী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাংবাদিক মো. তারিকুজ্জামান লিটু, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রশিদ লাবলু, জেষ্ঠ্য সাংবাদিক মুনির চৌধুরী, সাংবাদিক মলয় নন্দী, সাংবাদিক মো. হাফিজ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তুহিন, আব্দুল আজিজসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
সাংবাদিকরা আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা নেই। এ পরিস্থিতির জন্য প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তারা।

শনিবার দুপুরে নেত্রকোনার বারহাট্টা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে স্থানীয় সাংবাদিকদের মানববন্ধন। ছবি: রাজনীতি ডটকম
নেত্রকোনা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে শনিবার দুপুর ১২টায় স্থানীয় প্রেস ক্লাবের আয়োজনে মানববন্ধন হয়েছে নেত্রকোনার বারহাট্টা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। মানববন্ধনে স্থানীয় সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, তুহিন হত্যার বিচার যেন সাগর-রুনির হত্যার বিচারের মতো প্রহসনে পরিণত না হয়। দ্রুত প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বিশেষ আইন প্রণয়ন ও জারির দাবি জানাই, যেন সংবাদ কর্মীরা নির্ভয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বারহাট্টা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শামছ উদ্দিন আহমেদ বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বারহাট্টা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ বাবুল, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আনিছুল আলম তালুকদার শামীম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির নয়ন, নারী প্রগতি সংঘের বারহাট্টা কেন্দ্রের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম মাজুসহ অন্যরা।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে