
খুলনা ব্যুরো

খুলনা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ৯ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে দলটি। ‘সংগঠনবিরোধী’ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছিল। এসব নেতারা পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য দলের কাছে আবেদন করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের যেসব নেতাকে আগে বহিষ্কার করা হয়েছিল, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব কায়সার, সদর থানা বিএনপির সহ-মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মাজেদা খাতুন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক শেখ মুসফিকুর হাসান অভি, ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন এবং সুন্দরবন আদর্শ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন নান্নু।
খুলনা মহানগর এলাকার বাইরের যেসব নেতাকর্মীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে তারা হলেন— দাকোপ উপজেলার চালনা পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোজাফ্ফর হোসেন শেখ, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম খান জনি এবং কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ।
এদিকে একই দিন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২৬ নভেম্বরের প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে ভুলবশত খুলনা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব হাসান পিয়ারুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার স্থগিত করা হয়েছে।

খুলনা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ৯ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে দলটি। ‘সংগঠনবিরোধী’ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছিল। এসব নেতারা পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য দলের কাছে আবেদন করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের যেসব নেতাকে আগে বহিষ্কার করা হয়েছিল, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব কায়সার, সদর থানা বিএনপির সহ-মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মাজেদা খাতুন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক শেখ মুসফিকুর হাসান অভি, ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন এবং সুন্দরবন আদর্শ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন নান্নু।
খুলনা মহানগর এলাকার বাইরের যেসব নেতাকর্মীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে তারা হলেন— দাকোপ উপজেলার চালনা পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোজাফ্ফর হোসেন শেখ, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম খান জনি এবং কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ।
এদিকে একই দিন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২৬ নভেম্বরের প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে ভুলবশত খুলনা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব হাসান পিয়ারুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার স্থগিত করা হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে