
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যশোর-খুলনা মহাসড়কের চাউলিয়া তেল পাম্পের সামনে একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা- ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা কাভার্ড ভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন যশোর সদর উপজেলার ঘুনিপূর্বপাড়া গ্রামের মৃত হাসান আলী মোল্লার ছেলে ইজিবাইক চালক মোহাম্মদ আইয়ুব আলী (৪৩), ঘোড়াগাছা সাহাপাড়া গ্রামের সুজন সাহার স্ত্রী বৃষ্টি সাহা (২৪), তাঁর চার বছরের শিশু সন্তান সৌভিক সাহা এবং চাউলিয়া গ্রামের মৃত কালু শেখের ছেলে ভ্যান চালক আনোয়ার আলী (৭০)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মহাসড়কের রূপদিয়ার চাউলিয়া তেল পাম্পের সামনে একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানকে চাপা দেয় বিপরীত দিক থেকে আসা খুলনা থেকে যশোরগামী একটি কাভার্ড ভ্যান। এতে কাভার্ড ভ্যানের নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ইজিবাইক চালক আইয়ুব আলী ও আরোহী বৃষ্টি সাহা মারা যান।
এ সময় স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ার আলী ও শিশু সৌভিক সাহার মৃত্যু হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শাকিরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে সাজ্জাদ হোসেন (২৮) নামে একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ঘটনাস্থলে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করায় মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় তারা ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে খবর পেয়ে যশোর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিস সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. ফিরোজ আহমেদ জানান, বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
যশোর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুম খান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
রাজনীতি/একে

যশোর-খুলনা মহাসড়কের চাউলিয়া তেল পাম্পের সামনে একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা- ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা কাভার্ড ভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন যশোর সদর উপজেলার ঘুনিপূর্বপাড়া গ্রামের মৃত হাসান আলী মোল্লার ছেলে ইজিবাইক চালক মোহাম্মদ আইয়ুব আলী (৪৩), ঘোড়াগাছা সাহাপাড়া গ্রামের সুজন সাহার স্ত্রী বৃষ্টি সাহা (২৪), তাঁর চার বছরের শিশু সন্তান সৌভিক সাহা এবং চাউলিয়া গ্রামের মৃত কালু শেখের ছেলে ভ্যান চালক আনোয়ার আলী (৭০)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মহাসড়কের রূপদিয়ার চাউলিয়া তেল পাম্পের সামনে একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানকে চাপা দেয় বিপরীত দিক থেকে আসা খুলনা থেকে যশোরগামী একটি কাভার্ড ভ্যান। এতে কাভার্ড ভ্যানের নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ইজিবাইক চালক আইয়ুব আলী ও আরোহী বৃষ্টি সাহা মারা যান।
এ সময় স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ার আলী ও শিশু সৌভিক সাহার মৃত্যু হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শাকিরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে সাজ্জাদ হোসেন (২৮) নামে একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ঘটনাস্থলে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করায় মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় তারা ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে খবর পেয়ে যশোর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিস সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. ফিরোজ আহমেদ জানান, বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
যশোর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুম খান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
রাজনীতি/একে

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে