
বাগেরহাট প্রতিনিধি

ঈদের অপেক্ষা না করে রমজানেই ছেলেকে বিয়ে দিয়েছিলেন বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন বউকে নিয়ে ফিরছিলেন বাড়ির পথে। বর-কনের মাইক্রোবাসে ছিলেন তিনিও। ছিলেন পরিবারের আরও চারজনসহ আরও পাঁচ স্বজন। কে জানত, ফিরতি বরযাত্রাই পরিণত হবে শেষযাত্রায়!
বিয়ের আনন্দে যাত্রা শুরু করে পরিবারের অন্তত সাত সদস্যসহ ১২ স্বজনের মৃত্যুর সাক্ষী হওয়া এমন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছে বাগেরহাটের মোংলা। যে মাইক্রোবাসে করে নববিবাহিত ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে ফিরছিলেন আব্দুর রাজ্জাক, সেটি নৌ বাহিনীর এক যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজের কাছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ঘটে এ দুর্ঘটনা। তাতে বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকসহ প্রাণ হারিয়েছেন তার ছেলে ও পুত্রবধূ, এক মেয়ে ও তিন নাতি-নাতনি। মাইক্রোবাসে থাকা আব্দুর রাজ্জাকের আরও পাঁচ স্বজনও নিহত হয়েছেন। প্রাণ বাঁচেনি সেই মাইক্রোবাসের চালকেরও।
মোংলা পৌরসভা বিএনপির এই নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুতে মোংলাসহ বাগেরহাট বিএনপি পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। গভীর শোক জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পৌর বিএনপির সদস্য খোরশেদ আলম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক তার ছেলে সাব্বিরের বিয়ে ঠিক করেছিলেন খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নিয়ে বরযাত্রা করেন তিনি। বিয়ে শেষ করে বর-কনে ও পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও স্বজনকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে রওয়ানা দেন তিনি।
খোরশেদ আলম বলেন, নবদম্পতিকে নিয়ে আর বাড়ি ফিরতে পারেননি বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক। পথেই বাসের সঙ্গে তাদের মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হলে মাইক্রোবাসের চালকসহ সবাই মারা গেছেন। এর মধ্যে তারা নিজেরাই ছিলেন সাতজন। বাকিরাও তাদের আত্মীয়-স্বজন। তাদের বিস্তারিত পরিচয় বলতে পারছি না।
বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এক শোকবার্তায় বলেন, বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্যদের অকালমৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ প্রাথমিকভাবে এ দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন। পরে আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে আটজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আরও একজন।

ঈদের অপেক্ষা না করে রমজানেই ছেলেকে বিয়ে দিয়েছিলেন বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন বউকে নিয়ে ফিরছিলেন বাড়ির পথে। বর-কনের মাইক্রোবাসে ছিলেন তিনিও। ছিলেন পরিবারের আরও চারজনসহ আরও পাঁচ স্বজন। কে জানত, ফিরতি বরযাত্রাই পরিণত হবে শেষযাত্রায়!
বিয়ের আনন্দে যাত্রা শুরু করে পরিবারের অন্তত সাত সদস্যসহ ১২ স্বজনের মৃত্যুর সাক্ষী হওয়া এমন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছে বাগেরহাটের মোংলা। যে মাইক্রোবাসে করে নববিবাহিত ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে ফিরছিলেন আব্দুর রাজ্জাক, সেটি নৌ বাহিনীর এক যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজের কাছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ঘটে এ দুর্ঘটনা। তাতে বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকসহ প্রাণ হারিয়েছেন তার ছেলে ও পুত্রবধূ, এক মেয়ে ও তিন নাতি-নাতনি। মাইক্রোবাসে থাকা আব্দুর রাজ্জাকের আরও পাঁচ স্বজনও নিহত হয়েছেন। প্রাণ বাঁচেনি সেই মাইক্রোবাসের চালকেরও।
মোংলা পৌরসভা বিএনপির এই নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুতে মোংলাসহ বাগেরহাট বিএনপি পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। গভীর শোক জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পৌর বিএনপির সদস্য খোরশেদ আলম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক তার ছেলে সাব্বিরের বিয়ে ঠিক করেছিলেন খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নিয়ে বরযাত্রা করেন তিনি। বিয়ে শেষ করে বর-কনে ও পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও স্বজনকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে রওয়ানা দেন তিনি।
খোরশেদ আলম বলেন, নবদম্পতিকে নিয়ে আর বাড়ি ফিরতে পারেননি বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক। পথেই বাসের সঙ্গে তাদের মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হলে মাইক্রোবাসের চালকসহ সবাই মারা গেছেন। এর মধ্যে তারা নিজেরাই ছিলেন সাতজন। বাকিরাও তাদের আত্মীয়-স্বজন। তাদের বিস্তারিত পরিচয় বলতে পারছি না।
বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এক শোকবার্তায় বলেন, বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্যদের অকালমৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ প্রাথমিকভাবে এ দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন। পরে আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে আটজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আরও একজন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে