
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

সুন্দরবনে ধর্মঘট ডেকে পর্যটনবাহী প্রায় চারশ জালিবোটসহ লঞ্চ ও ট্রলার চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিকপক্ষ। এতে দূরদূরান্ত থেকে ঘুরতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরা বিপাকে পড়েছেন, বাধ্য হয়ে তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকেই সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশ ও ভ্রমণ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
জানা যায়, গত রোববার (৪ জানুয়ারি) নৌপরিবহন অধিদপ্তর (খুলনা) মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় থাকা অন্তত ৩০টি জালিবোটের উপরের অংশের অবকাঠামো কেটে ও ভেঙে সেসব মালামাল নিয়ে যায়। এতে বোটের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যে বসার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন ক্ষতিগ্রস্ত বোট মালিকরা। এ পরিস্থিতিতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা।
ধর্মঘট প্রসঙ্গে মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের (খুলনা) হয়রানির প্রতিবাদে সব নৌযান মালিকরা জালিবোট, ট্রলার ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট শুরু করেছেন। ধর্মঘটের আওতায় রয়েছে প্রায় চারশ লঞ্চ, জালিবোট ও ট্রলার। হয়রানি বন্ধ না হলে সুন্দরবনগামী এসব নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে পর্যটনবাহী নৌযানগুলোর উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করার ভিন্ন কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের (খুলনা) পরিদর্শক মোঃ রাশেদুল আলম। তিনি বলেন, স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জালিবোটগুলোর উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে। যাতে বোটগুলো দুর্ঘটনাকবলিত না হয়। মূলত আমাদের উদ্দেশ্য হলো পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এদিকে চলমান ধর্মঘটের কারণে সুন্দরবনে ঘুরতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরা নিরুপায় হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। যশোর থেকে আসা সাজেদ রহমান বলেন, পরিবার ও প্রতিবেশীদের নিয়ে ভ্রমণে এসে মোংলার পিকনিক কর্নারে আটকে গেছি। গাড়ি থেকে নামার পর শুনছি, সুন্দরবনে যাতায়াতারে একমাত্র মাধ্যম জালিবোটসহ অন্যান্য নৌযানের ধর্মঘট চলছে। তাই হতাশা নিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যাচ্ছি।
দিনাজপুর থেকে পরিবারসহ ঘুরতে এসে বিপাকে পড়েছেন তামান্না বেগম। তিনি বলেন, এখানে এসে দেখি নৌযান চলাচল বন্ধ, তাই আমরা আর সুন্দরবনে যেতে পারছি না। কী করব আর, ফিরে যেতে হবে এখন। খুলনার চুকনগর থেকে আসা আরেক পর্যটক রেজাউল করিম বলেন, আমরা এক বাসে ৫৪ জন এসেছি। এসে দেখি সুন্দরবনে যাওয়ার সকল নৌযান চলাচল বন্ধ। আসাটাই বৃথা হলো।
এ বিষয়ে সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, সোমবার ভোর থেকেই এখানে কোন নৌযান ও পর্যটক আসতে পারছে না। শুনেছি নৌপরিবহন অধিদপ্তর রোববার পর্যটনবাহী নৌযানগুলোয় অভিযান চালায়। এ কারণে মালিকরা তাদের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছে।

সুন্দরবনে ধর্মঘট ডেকে পর্যটনবাহী প্রায় চারশ জালিবোটসহ লঞ্চ ও ট্রলার চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিকপক্ষ। এতে দূরদূরান্ত থেকে ঘুরতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরা বিপাকে পড়েছেন, বাধ্য হয়ে তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকেই সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশ ও ভ্রমণ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
জানা যায়, গত রোববার (৪ জানুয়ারি) নৌপরিবহন অধিদপ্তর (খুলনা) মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় থাকা অন্তত ৩০টি জালিবোটের উপরের অংশের অবকাঠামো কেটে ও ভেঙে সেসব মালামাল নিয়ে যায়। এতে বোটের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যে বসার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন ক্ষতিগ্রস্ত বোট মালিকরা। এ পরিস্থিতিতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা।
ধর্মঘট প্রসঙ্গে মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের (খুলনা) হয়রানির প্রতিবাদে সব নৌযান মালিকরা জালিবোট, ট্রলার ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট শুরু করেছেন। ধর্মঘটের আওতায় রয়েছে প্রায় চারশ লঞ্চ, জালিবোট ও ট্রলার। হয়রানি বন্ধ না হলে সুন্দরবনগামী এসব নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে পর্যটনবাহী নৌযানগুলোর উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করার ভিন্ন কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের (খুলনা) পরিদর্শক মোঃ রাশেদুল আলম। তিনি বলেন, স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জালিবোটগুলোর উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে। যাতে বোটগুলো দুর্ঘটনাকবলিত না হয়। মূলত আমাদের উদ্দেশ্য হলো পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এদিকে চলমান ধর্মঘটের কারণে সুন্দরবনে ঘুরতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরা নিরুপায় হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। যশোর থেকে আসা সাজেদ রহমান বলেন, পরিবার ও প্রতিবেশীদের নিয়ে ভ্রমণে এসে মোংলার পিকনিক কর্নারে আটকে গেছি। গাড়ি থেকে নামার পর শুনছি, সুন্দরবনে যাতায়াতারে একমাত্র মাধ্যম জালিবোটসহ অন্যান্য নৌযানের ধর্মঘট চলছে। তাই হতাশা নিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যাচ্ছি।
দিনাজপুর থেকে পরিবারসহ ঘুরতে এসে বিপাকে পড়েছেন তামান্না বেগম। তিনি বলেন, এখানে এসে দেখি নৌযান চলাচল বন্ধ, তাই আমরা আর সুন্দরবনে যেতে পারছি না। কী করব আর, ফিরে যেতে হবে এখন। খুলনার চুকনগর থেকে আসা আরেক পর্যটক রেজাউল করিম বলেন, আমরা এক বাসে ৫৪ জন এসেছি। এসে দেখি সুন্দরবনে যাওয়ার সকল নৌযান চলাচল বন্ধ। আসাটাই বৃথা হলো।
এ বিষয়ে সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, সোমবার ভোর থেকেই এখানে কোন নৌযান ও পর্যটক আসতে পারছে না। শুনেছি নৌপরিবহন অধিদপ্তর রোববার পর্যটনবাহী নৌযানগুলোয় অভিযান চালায়। এ কারণে মালিকরা তাদের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
২ দিন আগে