
খুলনা ব্যুরো

কোনো ষড়যন্ত্র করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলেন, নির্বাচন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টার যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেনাপ্রধান অতি দ্রুত নির্বাচন করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং জনগণের মধ্যে যে শক্তির ঐক্য দেখা গেছে তার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়ে গেছে— আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
শনিবার বিকেলে খুলনার ফুলবাড়ী গেট চত্বরে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। খুলনা-৩ আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থী রকিবুল ইসলামের (বকুল) সমর্থনে শ্রমিক দল খানজাহান আলী থানা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে স্বপন আরও বলেন, যারা নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত করছেন, নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার টালবাহানা করছেন, তারা শুনে রাখুন— নির্বাচনের বিরোধিতাকারীরা শুধু গণতন্ত্রের শত্রু নয়, তারা দেশেরও শত্রু।
গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, দেশের মালিকানা জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে একটি পরিবারের হাতে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। কিন্তু এ দেশের তরুণ ছাত্র-জনতা বিএনপির তৈরি করা জমিনের ওপর দাঁড়িয়ে সেই স্বৈরাচারকে ক্ষমতা থেকে বের করে দিয়েছে। দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে আমরা সব গণতান্ত্রিক শক্তির সমন্বয়ে একটি ঐকমত্যের সমাজ গড়তে চাই, যা গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত।
ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান জহির উদ্দিন স্বপন। বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস জাতিকে আশ্বস্ত করেছেন যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এ ঘোষণার মাধ্যমে তিনি জনগণকে শঙ্কা থেকে মুক্তি দিয়েছেন। সরকারের দৃঢ়তায় জনগণ খুশি। আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।
নির্বাচন নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে রায় দিয়ে তাদের প্রতিহত করবে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এত বছর শেখ হাসিনা নিজেই ব্যালট পেপার ছাপাত, নিজেই ব্যালটে সিল মারত। এই অপকর্মে রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহার করা হতো। ২০১৮ সালে পুলিশকে রাতের বেলায় ব্যবহার করা হয়েছে নিশিরাতের ভোটের জন্য। আমরা আর এ ধরনের নির্বাচন হতে দেবো না। এবার জনগণই ব্যালটে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।
বিএনপির পক্ষে ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে হবে— এমন লক্ষ্যের কথা জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের প্রশ্ন নয়, এর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন হবে। তাই ধানের শীষ জিতবে কি জিতবে না, এ আলোচনা এখন গৌণ। ধানের শীষের পক্ষে ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে হবে। এ লক্ষ্য আমাদের অর্জন করতে হবে। ধানের শীষের প্রার্থীদের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করতে হবে।
খানজাহান আলী থানা শ্রমিক দলের সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশ সঞ্চালনা করেন থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াদুল ইসলাম। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম।
সমাবেশে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম (মনা), সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম (তুহিন), খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মীর কায়ছেদ আলী, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেন, খুলনা মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবুর রহমান, সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম শফিকসহ অন্যরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কোনো ষড়যন্ত্র করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলেন, নির্বাচন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টার যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেনাপ্রধান অতি দ্রুত নির্বাচন করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং জনগণের মধ্যে যে শক্তির ঐক্য দেখা গেছে তার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়ে গেছে— আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
শনিবার বিকেলে খুলনার ফুলবাড়ী গেট চত্বরে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। খুলনা-৩ আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থী রকিবুল ইসলামের (বকুল) সমর্থনে শ্রমিক দল খানজাহান আলী থানা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে স্বপন আরও বলেন, যারা নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত করছেন, নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার টালবাহানা করছেন, তারা শুনে রাখুন— নির্বাচনের বিরোধিতাকারীরা শুধু গণতন্ত্রের শত্রু নয়, তারা দেশেরও শত্রু।
গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, দেশের মালিকানা জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে একটি পরিবারের হাতে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। কিন্তু এ দেশের তরুণ ছাত্র-জনতা বিএনপির তৈরি করা জমিনের ওপর দাঁড়িয়ে সেই স্বৈরাচারকে ক্ষমতা থেকে বের করে দিয়েছে। দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে আমরা সব গণতান্ত্রিক শক্তির সমন্বয়ে একটি ঐকমত্যের সমাজ গড়তে চাই, যা গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত।
ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান জহির উদ্দিন স্বপন। বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস জাতিকে আশ্বস্ত করেছেন যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এ ঘোষণার মাধ্যমে তিনি জনগণকে শঙ্কা থেকে মুক্তি দিয়েছেন। সরকারের দৃঢ়তায় জনগণ খুশি। আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।
নির্বাচন নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে রায় দিয়ে তাদের প্রতিহত করবে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এত বছর শেখ হাসিনা নিজেই ব্যালট পেপার ছাপাত, নিজেই ব্যালটে সিল মারত। এই অপকর্মে রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহার করা হতো। ২০১৮ সালে পুলিশকে রাতের বেলায় ব্যবহার করা হয়েছে নিশিরাতের ভোটের জন্য। আমরা আর এ ধরনের নির্বাচন হতে দেবো না। এবার জনগণই ব্যালটে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।
বিএনপির পক্ষে ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে হবে— এমন লক্ষ্যের কথা জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের প্রশ্ন নয়, এর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন হবে। তাই ধানের শীষ জিতবে কি জিতবে না, এ আলোচনা এখন গৌণ। ধানের শীষের পক্ষে ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে হবে। এ লক্ষ্য আমাদের অর্জন করতে হবে। ধানের শীষের প্রার্থীদের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করতে হবে।
খানজাহান আলী থানা শ্রমিক দলের সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশ সঞ্চালনা করেন থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াদুল ইসলাম। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম।
সমাবেশে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম (মনা), সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম (তুহিন), খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মীর কায়ছেদ আলী, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেন, খুলনা মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবুর রহমান, সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম শফিকসহ অন্যরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৫ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে