
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনার রূপসা উপজেলায় যুবদল কর্মী ফখরুল শেখ (৩২) হত্যার নেপথ্যে মাদক রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের পাশে থাকা মাদকের একটি আখড়াকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
একই সঙ্গে ফখরুল শেখ হত্যায় জড়িত মূল খুনিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এসপি তাজুল ইসলাম। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার রূপসা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় ফখরুলকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে। তিনি যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
এসপি তাজুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে ফখরুল বন্ধু আসাদুলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে নেশাদ্রব্য সেবন করেছিলেন। ইটভাটার দুই তলা ভবনের একটি কক্ষে মাদকের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের দুটি গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে এসপি তাজুল বলেন, হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নিহতের পরিচিত। পুলিশ তাকে হত্যাকারী হিসেবে শনাক্ত করেছে। তবে এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহতের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করে আসছেন। ফখরুলও প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য সেখানে যান।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে ইটভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সঙ্গে ফখরুলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে তৈয়ব রাতে দায়িত্ব পালন করতে যাননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পরে রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে ইটভাটার অফিস কক্ষের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তার ঘাড়ে একটি এবং ডান চোয়ালের নিচ দিয়ে মাথায় আরেকটি গুলি লাগে। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে হত্যা করেছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি পরিবার।
গুলির শব্দ ও ঘটনার খবর পেয়ে ভাই ফরহাদসহ আরও তিন ভাই ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে আজ বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
নিহতের ভাই ফরহাদ বলেন, ‘আমার ভাই রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমার ভাটার ক্যানেল ও মাছের ঘেরেও কাজ করতেন। রাতে মেয়ের ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথে তার সঙ্গে দেখা হলে আমাকে জানান, ওষুধ নিয়ে ভাটা থেকে ঘুরে বাড়ি ফিরবেন।’
তিনি বলেন, ‘রাত ১২টা ১১ মিনিটে তার এক বন্ধু আমাকে ফোন করে বলেন, ভাই, ফখরুলকে কারা যেন মারছে, আপনি দ্রুত আসেন। খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি অফিসের পাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে।’
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। ফখরুলের শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

খুলনার রূপসা উপজেলায় যুবদল কর্মী ফখরুল শেখ (৩২) হত্যার নেপথ্যে মাদক রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের পাশে থাকা মাদকের একটি আখড়াকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
একই সঙ্গে ফখরুল শেখ হত্যায় জড়িত মূল খুনিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এসপি তাজুল ইসলাম। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার রূপসা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় ফখরুলকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে। তিনি যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
এসপি তাজুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে ফখরুল বন্ধু আসাদুলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে নেশাদ্রব্য সেবন করেছিলেন। ইটভাটার দুই তলা ভবনের একটি কক্ষে মাদকের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের দুটি গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে এসপি তাজুল বলেন, হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নিহতের পরিচিত। পুলিশ তাকে হত্যাকারী হিসেবে শনাক্ত করেছে। তবে এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহতের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করে আসছেন। ফখরুলও প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য সেখানে যান।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে ইটভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সঙ্গে ফখরুলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে তৈয়ব রাতে দায়িত্ব পালন করতে যাননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পরে রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে ইটভাটার অফিস কক্ষের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তার ঘাড়ে একটি এবং ডান চোয়ালের নিচ দিয়ে মাথায় আরেকটি গুলি লাগে। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে হত্যা করেছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি পরিবার।
গুলির শব্দ ও ঘটনার খবর পেয়ে ভাই ফরহাদসহ আরও তিন ভাই ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে আজ বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
নিহতের ভাই ফরহাদ বলেন, ‘আমার ভাই রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমার ভাটার ক্যানেল ও মাছের ঘেরেও কাজ করতেন। রাতে মেয়ের ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথে তার সঙ্গে দেখা হলে আমাকে জানান, ওষুধ নিয়ে ভাটা থেকে ঘুরে বাড়ি ফিরবেন।’
তিনি বলেন, ‘রাত ১২টা ১১ মিনিটে তার এক বন্ধু আমাকে ফোন করে বলেন, ভাই, ফখরুলকে কারা যেন মারছে, আপনি দ্রুত আসেন। খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি অফিসের পাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে।’
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। ফখরুলের শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্
৬ ঘণ্টা আগে
ঘটনার পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
৬ ঘণ্টা আগে