
যশোর প্রতিনিধি

যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় এক যুবককে তার নিজ ব্যবসাকেন্দ্রে প্রকাশ্যে মাথায় গুলি করার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের পাশে তিনটি তাজা গুলি ও চারটি গুলির খোসা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার কপালিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রানা প্রতাপ বৈরাগী (৪৩) কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে। কপালিয়া বাজারে তার বরফ তৈরির একটি কারখানা রয়েছে। এলাকায় তিনি ‘চরমপন্থি’ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, জেলার অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায় সাবেক শ্রমিক নেতা ওলিয়ার রহমান হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটভুক্ত আসামি রানা প্রতাপ।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার শংকরপুর এলাকায় আলমগীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। রোববার সদর উপজেলার এনায়েতপুরে এনাম সিদ্দিকী নামে এক ‘জুলাই যোদ্ধাকে’ মারধরের পর ছুরিকাঘাত করা হয়। এবার ঘটল প্রকাশে গুলি করে আরেক হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় কাপালিয়া বাজারে নিজের বরফকলে বসে ছিলেন রানা। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত তিনজন সেখানে উপস্থিত হয়ে রানার মাথায় গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধারের আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রজিউল্লাহ খান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার জানান, গুলিতে ঘটনাস্থলেই রানা প্রতাপের মৃত্যু হয়েছে। কারা কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রানা প্রতাপ বৈরাগী ‘চরমপন্থি’ সংগঠন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আরেক চরমপন্থি সংগঠনের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় এক যুবককে তার নিজ ব্যবসাকেন্দ্রে প্রকাশ্যে মাথায় গুলি করার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের পাশে তিনটি তাজা গুলি ও চারটি গুলির খোসা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার কপালিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রানা প্রতাপ বৈরাগী (৪৩) কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে। কপালিয়া বাজারে তার বরফ তৈরির একটি কারখানা রয়েছে। এলাকায় তিনি ‘চরমপন্থি’ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, জেলার অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায় সাবেক শ্রমিক নেতা ওলিয়ার রহমান হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটভুক্ত আসামি রানা প্রতাপ।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার শংকরপুর এলাকায় আলমগীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। রোববার সদর উপজেলার এনায়েতপুরে এনাম সিদ্দিকী নামে এক ‘জুলাই যোদ্ধাকে’ মারধরের পর ছুরিকাঘাত করা হয়। এবার ঘটল প্রকাশে গুলি করে আরেক হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় কাপালিয়া বাজারে নিজের বরফকলে বসে ছিলেন রানা। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত তিনজন সেখানে উপস্থিত হয়ে রানার মাথায় গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধারের আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রজিউল্লাহ খান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার জানান, গুলিতে ঘটনাস্থলেই রানা প্রতাপের মৃত্যু হয়েছে। কারা কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রানা প্রতাপ বৈরাগী ‘চরমপন্থি’ সংগঠন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আরেক চরমপন্থি সংগঠনের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে