
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুদের তৎপরতায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মাছ ধরতে গিয়ে দস্যুদের হাতে অপহৃত হয়েছেন পাঁচ জেলে। এ সময় একটি ফিশিং ট্রলারও নিয়ে গেছে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী। অপহৃত জেলেরা এখন কোথায় এবং কী অবস্থায় আছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বন বিভাগ জানিয়েছে, শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালার চর ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অপহৃত জেলেরা হলেন বাগেরহাটের শরণখোলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৮), শিহাব হাওলাদার (৩৫), সাব্বির হাওলাদার (৩০), রিপন হাওলাদার (২৮) এবং উত্তর রাজাপুর গ্রামের জাকির হাওলাদার (৪০)।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কয়েকদিন ধরে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে সাগরে মাছ ধরা বেশ কয়েকটি ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সুন্দরবনের শ্যালার চর ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় অবস্থান নেয়। এই সুযোগেই জেলেবহরে হামলা চালায় বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা।
শ্যালার চর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে অস্ত্রের মুখে জেলেদের জিম্মি করে দস্যুরা। শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুল মাঝির একটি ট্রলার থেকে তিন জেলেকে এবং অন্য দুটি ট্রলার থেকে আরও দুই জেলেকে তুলে নিয়ে যায় তারা। একই সঙ্গে বাবুল মাঝির ফিশিং ট্রলারটিও নিয়ে যায় দস্যুরা।
ঘটনার পর বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে অপহৃত জেলেদের এখন সুন্দরবনের কোন এলাকায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাদের মুক্তির জন্য দস্যুরা কোনো মুক্তিপণও দাবি করেনি বলে জানিয়েছেন জেলেদের মহাজন বাবুল মাঝি।
তিনি বলেন, অপহরণের পর থেকে দস্যুদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। জেলেদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেটিও তারা জানতে পারেননি।
এ ঘটনায় অপহৃত জেলেদের পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাওয়া অন্য জেলে ও মহাজনদের মধ্যেও নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
রোববার বিকেল ৩টার দিকে বন বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এদিকে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন জানিয়েছে, সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় বনদস্যুদের গতিবিধির বিষয়ে তারা সতর্ক রয়েছে। অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে।

সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুদের তৎপরতায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মাছ ধরতে গিয়ে দস্যুদের হাতে অপহৃত হয়েছেন পাঁচ জেলে। এ সময় একটি ফিশিং ট্রলারও নিয়ে গেছে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী। অপহৃত জেলেরা এখন কোথায় এবং কী অবস্থায় আছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বন বিভাগ জানিয়েছে, শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালার চর ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অপহৃত জেলেরা হলেন বাগেরহাটের শরণখোলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৮), শিহাব হাওলাদার (৩৫), সাব্বির হাওলাদার (৩০), রিপন হাওলাদার (২৮) এবং উত্তর রাজাপুর গ্রামের জাকির হাওলাদার (৪০)।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কয়েকদিন ধরে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে সাগরে মাছ ধরা বেশ কয়েকটি ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সুন্দরবনের শ্যালার চর ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় অবস্থান নেয়। এই সুযোগেই জেলেবহরে হামলা চালায় বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা।
শ্যালার চর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে অস্ত্রের মুখে জেলেদের জিম্মি করে দস্যুরা। শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুল মাঝির একটি ট্রলার থেকে তিন জেলেকে এবং অন্য দুটি ট্রলার থেকে আরও দুই জেলেকে তুলে নিয়ে যায় তারা। একই সঙ্গে বাবুল মাঝির ফিশিং ট্রলারটিও নিয়ে যায় দস্যুরা।
ঘটনার পর বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে অপহৃত জেলেদের এখন সুন্দরবনের কোন এলাকায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাদের মুক্তির জন্য দস্যুরা কোনো মুক্তিপণও দাবি করেনি বলে জানিয়েছেন জেলেদের মহাজন বাবুল মাঝি।
তিনি বলেন, অপহরণের পর থেকে দস্যুদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। জেলেদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেটিও তারা জানতে পারেননি।
এ ঘটনায় অপহৃত জেলেদের পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাওয়া অন্য জেলে ও মহাজনদের মধ্যেও নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
রোববার বিকেল ৩টার দিকে বন বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এদিকে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন জানিয়েছে, সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় বনদস্যুদের গতিবিধির বিষয়ে তারা সতর্ক রয়েছে। অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে।

ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৮ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে