
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের জঙ্গল ছলিমপুরে সন্ত্রাসী ধরতে অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে এ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল।
খাস জমির ৩ হাজার ১০০ একর জুড়ে অবস্থান জঙ্গল ছলিমপুরের। প্রশাসনিক কাঠামোতে এর অবস্থান সীতাকুণ্ড উপজেলার আওতায় হলেও এখানে প্রবেশ করতে হয় চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার এলাকা দিয়ে। টিলা কেটে গড়ে তোলা এ ঝুঁকিপূর্ণ বসতি ‘দুর্ভেদ্য সাম্রাজ্যে’ পরিণত হয়েছে।
গত ১৯ জানুয়ারি সীতাকুণ্ডের দুর্গম এই পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে গিয়ে স্থানীয়দের হামলায় নিহত হন র্যাব-৭ এর সদস্য নায়েক সুবেদার মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। তার জানাজায় র্যাবপ্রধান এ কে এম শহীদুর রহমান জঙ্গল ছলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
১৯ জানুয়ারি র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে বলা হয়, সেদিন বিকেল সোয়া ৪টার দিকে জঙ্গল ছলিমপুর এলাকায় ‘অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী’ গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
২০২৫ সালের ৪ অক্টোবর ভোরে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় ইয়াছিন ও রোকন-গফুর বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। তখন গুলিবিদ্ধ হয়ে রোকন বাহিনীর এক সদস্য নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হন দুই সাংবাদিক।
এর আগে ২০২২ সালে জঙ্গল ছলিমপুরের খাস জমি দখলমুক্ত করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার, স্পোর্টস ভিলেজ, ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আইকনিক মসজিদ, ইকো পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা করার পরিকল্পনা নিয়েছিল সরকার। তখন উচ্ছেদ অভিযানে বেশ কয়েকবার বাধার মুখে পড়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
টানা উচ্ছেদ অভিযানে সেখানে ‘পাহাড় ব্যবস্থাপনা ক্যাম্প ও চেকপোস্ট’ বসিয়েছিল জেলা প্রশাসন। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেখানে আবারও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। বেশ কয়েকবার সংঘর্ষ ও খুনোখুনির ঘটনাও ঘটে।

চট্টগ্রামের জঙ্গল ছলিমপুরে সন্ত্রাসী ধরতে অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে এ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল।
খাস জমির ৩ হাজার ১০০ একর জুড়ে অবস্থান জঙ্গল ছলিমপুরের। প্রশাসনিক কাঠামোতে এর অবস্থান সীতাকুণ্ড উপজেলার আওতায় হলেও এখানে প্রবেশ করতে হয় চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার এলাকা দিয়ে। টিলা কেটে গড়ে তোলা এ ঝুঁকিপূর্ণ বসতি ‘দুর্ভেদ্য সাম্রাজ্যে’ পরিণত হয়েছে।
গত ১৯ জানুয়ারি সীতাকুণ্ডের দুর্গম এই পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে গিয়ে স্থানীয়দের হামলায় নিহত হন র্যাব-৭ এর সদস্য নায়েক সুবেদার মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। তার জানাজায় র্যাবপ্রধান এ কে এম শহীদুর রহমান জঙ্গল ছলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
১৯ জানুয়ারি র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে বলা হয়, সেদিন বিকেল সোয়া ৪টার দিকে জঙ্গল ছলিমপুর এলাকায় ‘অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী’ গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
২০২৫ সালের ৪ অক্টোবর ভোরে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় ইয়াছিন ও রোকন-গফুর বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। তখন গুলিবিদ্ধ হয়ে রোকন বাহিনীর এক সদস্য নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হন দুই সাংবাদিক।
এর আগে ২০২২ সালে জঙ্গল ছলিমপুরের খাস জমি দখলমুক্ত করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার, স্পোর্টস ভিলেজ, ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আইকনিক মসজিদ, ইকো পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা করার পরিকল্পনা নিয়েছিল সরকার। তখন উচ্ছেদ অভিযানে বেশ কয়েকবার বাধার মুখে পড়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
টানা উচ্ছেদ অভিযানে সেখানে ‘পাহাড় ব্যবস্থাপনা ক্যাম্প ও চেকপোস্ট’ বসিয়েছিল জেলা প্রশাসন। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেখানে আবারও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। বেশ কয়েকবার সংঘর্ষ ও খুনোখুনির ঘটনাও ঘটে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৭ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে