
কক্সবাজার প্রতিনিধি

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) বা নবি হোসেন গ্রুপের প্রধান নবি হোসেনের ছোট ভাই মোহাম্মদ কামাল।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অধিনায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অন্যদিকে হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নায়েক সাইফুল ইসলাম জানান, ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ কামাল একজনকে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর ক্যাম্প এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি মুজিবুল হক বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং হত্যাকারীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) বা নবি হোসেন গ্রুপের প্রধান নবি হোসেনের ছোট ভাই মোহাম্মদ কামাল।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অধিনায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অন্যদিকে হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নায়েক সাইফুল ইসলাম জানান, ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ কামাল একজনকে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর ক্যাম্প এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি মুজিবুল হক বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং হত্যাকারীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ টোরাগড় মনির ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বিল্লাল শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের মুড়াগাঁও গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির সাহেব আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের সমান্তরাল শাসনব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং জঙ্গল সলিমপুরকে মূল ধারার সঙ্গে যুক্ত করতে আধুনিক রোড নেটওয়ার্কসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রকৃত বাসিন্দাদের টেকসই পুনর্বাসনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।
৭ ঘণ্টা আগে
এই স্বীকৃতিকে ঘিরে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখেছিলেন স্থানীয় কারিগর ও ব্যবসায়ীরা। তবে এক বছর পেরিয়ে গেলেও শিল্পটির উন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না থাকায় হতাশ সংশ্লিষ্টরা।
৮ ঘণ্টা আগে
নিহত কামালের ছেলে তারেক (২৫) ও ভাতিজা ফরহাদ (২৪) দুজনের বিরুদ্ধেই ইয়াবা সেবন ও তা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ৯টায় রামবল্লভপুর এলাকার মিনু হাজী বাড়ি ও লেসি সরদার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাদের ইয়াবা বিক্রি ও সেবনকে কেন্দ্র করে উভয় বাড়ির কিশোরদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও মারামারি হয়।
১১ ঘণ্টা আগে