
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের পিয়নের প্রতারণার শিকার হয়েছে ওই কলেজেরই দুই শিক্ষার্থী। নির্বাচনি পরীক্ষা তথা টেস্টে অকৃতকার্য হয়ে তারা ওই পিয়নকে দিয়ে এইচএসসির ফরম পূরণ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর প্রবেশপত্র আসেনি, তাদের কেউই অংশ নিতে পারেনি এইচএসসি পরীক্ষায়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা। এ পরীক্ষাতে বসার জন্যই পিয়নকে দিয়ে ফরম পূরণ করেছিলেন নান্দাইল শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের দুই শিক্ষার্থী মনিমুক্তা আক্তার ও ইসমাত আরা বেগম।
পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পেয়ে তারা বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ ফটকের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে। মনিমুক্তা জানায়, এইচএসসির নির্বাচনি (টেস্ট) পরীক্ষায় তারা দুজন দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিলেন। এ কারণে কলেজ কতৃপক্ষ তাদের ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি।
মনিমুক্তার ভাষ্য, কলেজের পিয়ন মো. শাহাজাহান তাদের দুজনকে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে ফরম পূরণ করে প্রবেশপত্র জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে শর্ত দেন, বিষয়টি কলেজের কাউকে জানানো যাবে না। পিয়ন শাহজাহান দুই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণ ও প্রবেশপত্র এনে দেওয়া বাবদ ২২ হাজার ৪০০ টাকা নেন।
পরীক্ষার আগে অন্য সহপাঠীরা প্রবেশপত্র পেলেও মনিমুক্তা আক্তার ও ইসমাত আরার নামে কোনো প্রবেশপত্র আসেনি। বিষয়টি জানতে পেরে দুই শিক্ষার্থী পরীক্ষার আগের দিন বুধবার (১ জুলাই) শাহজহানের কাছে যায়। তখনো পিয়ন শাহজাহান তাদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে লোক পাঠানো হয়েছে। প্রবেশপত্র চলে আসবে।
এই আশ্বাস পেয়ে মনিমুক্ত ও ইসমাত বৃহস্পতিবার সকালে প্রবেশপত্র নিতে নান্দাইল শহিদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ গেটের ফটকে গিয়ে শাহজাহানকে মোবাইল ফোনে কল দেয়। বারবার ফোন দিয়েও শাহজাহানের সাড়া না পেয়ে তারা কান্নায় ভেঙে পড়ে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পিয়ন শাহাজাহানকে কলেজে গিয়ে খোঁজ করে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনে বারবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
মণিমুক্তার বাবা আনোয়ার হোসেন সড়কে ইজিবাইক চালান। তিনি বলেন, আমি পড়ালেখা করতে পারিনি, কিন্তু পড়ালেখার দাম বুঝি। এ জন্য মেয়ের পেছনে টাকা খরচ করতে দ্বিধা ছিল না। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন পিয়ন ছাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারে, তা ভাবতে পারিনি। পিয়ন শাহজাহানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইনামুল হক বলেন, ‘শাহজাহান আমাদের কলেজের পিয়ন। কিন্তু সে তো পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করে প্রবেশপত্র এনে দেওয়ার মতো কেউ না।’ তবু এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে পিয়নের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ইউএনও ফাতেমা জান্নাত বলেন, ‘ওই ছাত্রীরা বোকার মতো কাজ করেছে। পিয়নকে টাকা দেওয়া ঠিক হয়নি।’ পিয়নের নামে অভিযোগ করতে দুই শিক্ষার্থীকে পরামর্শ দেন ইউএনও।

ময়মনসিংহের নান্দাইল শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের পিয়নের প্রতারণার শিকার হয়েছে ওই কলেজেরই দুই শিক্ষার্থী। নির্বাচনি পরীক্ষা তথা টেস্টে অকৃতকার্য হয়ে তারা ওই পিয়নকে দিয়ে এইচএসসির ফরম পূরণ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর প্রবেশপত্র আসেনি, তাদের কেউই অংশ নিতে পারেনি এইচএসসি পরীক্ষায়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা। এ পরীক্ষাতে বসার জন্যই পিয়নকে দিয়ে ফরম পূরণ করেছিলেন নান্দাইল শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের দুই শিক্ষার্থী মনিমুক্তা আক্তার ও ইসমাত আরা বেগম।
পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পেয়ে তারা বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ ফটকের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে। মনিমুক্তা জানায়, এইচএসসির নির্বাচনি (টেস্ট) পরীক্ষায় তারা দুজন দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিলেন। এ কারণে কলেজ কতৃপক্ষ তাদের ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি।
মনিমুক্তার ভাষ্য, কলেজের পিয়ন মো. শাহাজাহান তাদের দুজনকে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে ফরম পূরণ করে প্রবেশপত্র জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে শর্ত দেন, বিষয়টি কলেজের কাউকে জানানো যাবে না। পিয়ন শাহজাহান দুই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণ ও প্রবেশপত্র এনে দেওয়া বাবদ ২২ হাজার ৪০০ টাকা নেন।
পরীক্ষার আগে অন্য সহপাঠীরা প্রবেশপত্র পেলেও মনিমুক্তা আক্তার ও ইসমাত আরার নামে কোনো প্রবেশপত্র আসেনি। বিষয়টি জানতে পেরে দুই শিক্ষার্থী পরীক্ষার আগের দিন বুধবার (১ জুলাই) শাহজহানের কাছে যায়। তখনো পিয়ন শাহজাহান তাদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে লোক পাঠানো হয়েছে। প্রবেশপত্র চলে আসবে।
এই আশ্বাস পেয়ে মনিমুক্ত ও ইসমাত বৃহস্পতিবার সকালে প্রবেশপত্র নিতে নান্দাইল শহিদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ গেটের ফটকে গিয়ে শাহজাহানকে মোবাইল ফোনে কল দেয়। বারবার ফোন দিয়েও শাহজাহানের সাড়া না পেয়ে তারা কান্নায় ভেঙে পড়ে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পিয়ন শাহাজাহানকে কলেজে গিয়ে খোঁজ করে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনে বারবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
মণিমুক্তার বাবা আনোয়ার হোসেন সড়কে ইজিবাইক চালান। তিনি বলেন, আমি পড়ালেখা করতে পারিনি, কিন্তু পড়ালেখার দাম বুঝি। এ জন্য মেয়ের পেছনে টাকা খরচ করতে দ্বিধা ছিল না। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন পিয়ন ছাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারে, তা ভাবতে পারিনি। পিয়ন শাহজাহানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইনামুল হক বলেন, ‘শাহজাহান আমাদের কলেজের পিয়ন। কিন্তু সে তো পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করে প্রবেশপত্র এনে দেওয়ার মতো কেউ না।’ তবু এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে পিয়নের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ইউএনও ফাতেমা জান্নাত বলেন, ‘ওই ছাত্রীরা বোকার মতো কাজ করেছে। পিয়নকে টাকা দেওয়া ঠিক হয়নি।’ পিয়নের নামে অভিযোগ করতে দুই শিক্ষার্থীকে পরামর্শ দেন ইউএনও।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকার একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে যায় পুলিশ। পরে রাত ১১টার দিকে সেখান থেকে শারমিন আক্তার লিজা নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে অস্ত্রোপচার ছাড়াই একে একে পাঁচ নবজাতকের জন্ম হয়। বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে প্রথম সন্তান জন্ম নেওয়ার পর প্রায় আধাঘণ্টার মধ্যে বাকি চারজনেরও জন্ম হয়। নবজাতকদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুজন মেয়ে ছিল।
১১ ঘণ্টা আগে
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী লাহুড়িয়া ইউনিয়নের অনগ্রসর মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট একটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১৫ মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ ছয় বছরেও তা শেষ হয়নি।
১ দিন আগে
প্রায় ৭০ বছর বয়সী হেমায়েত মোল্লাকে কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার পানিছত্র এলাকায় অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারছিলেন না। পথচারীরা খাবার ও পানি দিলেও তার পরিচয় জানা যাচ্ছিল না।
২ দিন আগে