
ভোলা প্রতিনিধি

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজার আগে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল ও যুবদলের একদল নেতাকর্মী। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা জানাজাস্থল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।
ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা তোফায়েল আহমেদকে ছাত্রদল নেতা নুরে আলম ও যুবদলের রহিমের হত্যাকারী দাবি করে বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা না পড়ানোর দাবি জানান। পরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা এসে তাদের সরিয়ে নেয়।
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভোগা তোফায়েল আহমেদ গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গতকাল বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পারিবারিক উদ্যোগে প্রবীণ এ আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ভোলায় নেওয়া হয়। ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার মরদেহ নেওয়া হবে নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায়। সেখানে স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজার আগে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল ও যুবদলের একদল নেতাকর্মী। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা জানাজাস্থল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।
ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা তোফায়েল আহমেদকে ছাত্রদল নেতা নুরে আলম ও যুবদলের রহিমের হত্যাকারী দাবি করে বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা না পড়ানোর দাবি জানান। পরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা এসে তাদের সরিয়ে নেয়।
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভোগা তোফায়েল আহমেদ গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গতকাল বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পারিবারিক উদ্যোগে প্রবীণ এ আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ভোলায় নেওয়া হয়। ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার মরদেহ নেওয়া হবে নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায়। সেখানে স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে