
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

‘সমন্বিত ডিগ্রি’র দাবিতে শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করার পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়তে বলা হয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। বাকৃবির সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক মুজিবর বলেন, বহিরাগতদের হামলার পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলা রাখার বাস্তবতা নেই। শিক্ষার্থীদের সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার সকাল থেকেই উত্তাল ছিল বাকৃবি ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা বিএসসি ইন ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি নামে সমন্বিত ডিগ্রির দাবি করে আসছেন দীর্ঘ দিন ধরে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকালে বসে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা।
ওই সভায় শিক্ষকরা সমন্বিত ডিগ্রির পাশাপাশি পশুপালন ও ভেটেরিনারি ডিগ্রিও আলাদাভাবে চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিলে তা প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা উপাচার্যসহ একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত দুই শতাধিক শিক্ষককে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করেন।
এ ঘটনা নিয়ে রাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সৈয়দ শাহনেওয়াজ মোর্শেদ অপু। এ সময় বহিরাগত একদল ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠি হাতে হামলা চালায়।
হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি কোনো পক্ষই। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনের তালা খুলে অবরুদ্ধ শিক্ষকদের বের করে দেয়।
এ ঘটনার পর রাত সাড়ে ৯টায় অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভা আয়োজন করে বাকৃবি কর্তৃপক্ষ। সে বৈঠকেই ক্যাম্পাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়।
বাকৃবি প্রশাসন স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে বলে জানান অধ্যাপক মুজিবর

‘সমন্বিত ডিগ্রি’র দাবিতে শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করার পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়তে বলা হয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। বাকৃবির সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক মুজিবর বলেন, বহিরাগতদের হামলার পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলা রাখার বাস্তবতা নেই। শিক্ষার্থীদের সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার সকাল থেকেই উত্তাল ছিল বাকৃবি ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা বিএসসি ইন ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি নামে সমন্বিত ডিগ্রির দাবি করে আসছেন দীর্ঘ দিন ধরে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকালে বসে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা।
ওই সভায় শিক্ষকরা সমন্বিত ডিগ্রির পাশাপাশি পশুপালন ও ভেটেরিনারি ডিগ্রিও আলাদাভাবে চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিলে তা প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা উপাচার্যসহ একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত দুই শতাধিক শিক্ষককে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করেন।
এ ঘটনা নিয়ে রাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সৈয়দ শাহনেওয়াজ মোর্শেদ অপু। এ সময় বহিরাগত একদল ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠি হাতে হামলা চালায়।
হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি কোনো পক্ষই। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনের তালা খুলে অবরুদ্ধ শিক্ষকদের বের করে দেয়।
এ ঘটনার পর রাত সাড়ে ৯টায় অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভা আয়োজন করে বাকৃবি কর্তৃপক্ষ। সে বৈঠকেই ক্যাম্পাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়।
বাকৃবি প্রশাসন স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে বলে জানান অধ্যাপক মুজিবর

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১ দিন আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
২ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
২ দিন আগে