
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় বদলি হয়ে আসা নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আল মাহমুদ জামান জেলার গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাফিকুজ্জামান ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম সরদারসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জেলার সিনিয়র সাংবাদিকসহ প্রায় প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একযোগে ছয় জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাদের মধ্যেই ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান নিয়োগ পান নেত্রকোনার ডিসি হিসেবে।
ওই দিনই আরেক প্রজ্ঞাপনে নেত্রকোনার ডিসির পদে থাকা বনানী বিশ্বাসকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, ২৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের ভূতাইল গ্রামের সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিভাগে পড়ালেখা করেছেন।
কর্মজীবনে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নেত্রকোনা সদর ও জামালপুর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), পটুয়াখালীর বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব, বাংলাদেশ জুটমিল করপোরেশনের মুখ্য পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জামান।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ছিলেন তিনি। নেত্রকোনায় ডিসি পদে যোগ দেওয়ার ঠিক আগে ছিলেন ঢাকায় ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার।

নেত্রকোনায় বদলি হয়ে আসা নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আল মাহমুদ জামান জেলার গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাফিকুজ্জামান ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম সরদারসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জেলার সিনিয়র সাংবাদিকসহ প্রায় প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একযোগে ছয় জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাদের মধ্যেই ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান নিয়োগ পান নেত্রকোনার ডিসি হিসেবে।
ওই দিনই আরেক প্রজ্ঞাপনে নেত্রকোনার ডিসির পদে থাকা বনানী বিশ্বাসকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, ২৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের ভূতাইল গ্রামের সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিভাগে পড়ালেখা করেছেন।
কর্মজীবনে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নেত্রকোনা সদর ও জামালপুর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), পটুয়াখালীর বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব, বাংলাদেশ জুটমিল করপোরেশনের মুখ্য পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জামান।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ছিলেন তিনি। নেত্রকোনায় ডিসি পদে যোগ দেওয়ার ঠিক আগে ছিলেন ঢাকায় ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে