
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ভোটাররা ভোট দিয়ে জয়ী করলে তাদের পছন্দ অনুযায়ী নান্দাইলকে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী।
তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিন। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলাকে আপনাদের পছন্দমতো গড়ে তুলব। নান্দাইল উপজেলা হবে নারী সমাজ, তরুণ সমাজসহ সব মানুষের জন্যে নিরাপদ।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে নান্দাইলের কানুরামপুর এলাকায় বিএনপি আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ইয়াসের খাম চৌধুরীর ঢাকা থেকে ফেরার খবরে উপজেলার জামতলা বাজারের দিকে এগিয়ে যান বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা গণমিছিল করে তাকে এগিয়ে আনেন। উপজেলা বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক মোটরসাইকেল বহর নিয়ে মিছিলে অংশ নেন।
মিছিলটি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক দিয়ে নান্দাইল সদর অতিক্রম করে কানুরামপুরের দিকে যাওয়ার সময় সড়কে যানজট দেখা দেয়। পরে নান্দাইলের কানুরামপুর এলাকায় একটি মিনি ট্রাকে স্থাপিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী পথসভায় বক্তব্য রাখেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ইয়াসের খান বলেন, আমার বাবা-চাচা নান্দাইল আসন থেকে আপনাদের ভোটে একাধিবার বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমার পূর্বপুরুষরা বিএনপি প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমাদের পরিবারের একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমি সেই পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিএনপির এই প্রার্থী আরও বলেন, আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে নান্দাইলের আপামর জনসাধারণের জন্য কাজ করতে এসেছি। আমি নান্দাইলের প্রতিহিংসার রাজনীতি পালটে দিতে চাই। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই।
এ সময় সমর্থকদের ধানের শীষ ধানের শীষ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গীটা এলাকা। পথসভা শেষ হওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা ইয়াসের খান চৌধুরীকে তার নিজবাড়ি উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বাহাদুর হাউজে পৌঁছে দেন।

ভোটাররা ভোট দিয়ে জয়ী করলে তাদের পছন্দ অনুযায়ী নান্দাইলকে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী।
তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিন। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলাকে আপনাদের পছন্দমতো গড়ে তুলব। নান্দাইল উপজেলা হবে নারী সমাজ, তরুণ সমাজসহ সব মানুষের জন্যে নিরাপদ।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে নান্দাইলের কানুরামপুর এলাকায় বিএনপি আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ইয়াসের খাম চৌধুরীর ঢাকা থেকে ফেরার খবরে উপজেলার জামতলা বাজারের দিকে এগিয়ে যান বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা গণমিছিল করে তাকে এগিয়ে আনেন। উপজেলা বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক মোটরসাইকেল বহর নিয়ে মিছিলে অংশ নেন।
মিছিলটি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক দিয়ে নান্দাইল সদর অতিক্রম করে কানুরামপুরের দিকে যাওয়ার সময় সড়কে যানজট দেখা দেয়। পরে নান্দাইলের কানুরামপুর এলাকায় একটি মিনি ট্রাকে স্থাপিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী পথসভায় বক্তব্য রাখেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ইয়াসের খান বলেন, আমার বাবা-চাচা নান্দাইল আসন থেকে আপনাদের ভোটে একাধিবার বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমার পূর্বপুরুষরা বিএনপি প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমাদের পরিবারের একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমি সেই পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিএনপির এই প্রার্থী আরও বলেন, আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে নান্দাইলের আপামর জনসাধারণের জন্য কাজ করতে এসেছি। আমি নান্দাইলের প্রতিহিংসার রাজনীতি পালটে দিতে চাই। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই।
এ সময় সমর্থকদের ধানের শীষ ধানের শীষ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গীটা এলাকা। পথসভা শেষ হওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা ইয়াসের খান চৌধুরীকে তার নিজবাড়ি উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বাহাদুর হাউজে পৌঁছে দেন।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে