
চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর-৪ আসনের নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন মো. হারুনুর রশিদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নে নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
বিএনপি মনোনীত এ প্রার্থীর দাবি, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কারচুপি ও জাল ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয় এবং কেন্দ্র দখল করে বিপুল পরিমাণ জাল ভোট প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, বড়গাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর আহমদিয়া ফাজিল মাদরাসা, পশ্চিম ভাওয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইকপাড়া বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শোশাইরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাচনমেঘ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব আলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চররামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার নেতাকর্মীরা প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা না থাকার অভিযোগ জানিয়েছেন।
হারুনুর রশিদ জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণের আশা করেছিলেন। ভোটগ্রহণ শুরুর পর কাউনিয়া শহীদ হাবিব উল্লাহ ভোটকেন্দ্রে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোট প্রদান করেন এবং বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। প্রথমদিকে নারী-পুরুষ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করলেও দুপুরের পর শোল্লা, ঘড়িয়ানা ও মুন্সীরহাটসহ কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ পান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নিরপেক্ষ তদন্ত দল গঠনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং ফল পুনর্গণনার মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফল প্রকাশের দাবি জানান।
অধিকাংশ কেন্দ্রে তিনি এগিয়ে থাকলেও কয়েকটি কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অস্বাভাবিক ভোট ব্যবধান কারচুপি ছাড়া সম্ভব নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার পর গত দুদিনে ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তার দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এক কর্মীর তিনটি দাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং আরেক কর্মীকে না পেয়ে তার শিশুসন্তানের ওপর হামলার ঘটনাও উল্লেখ করেন হারুনুর রশিদ।

চাঁদপুর-৪ আসনের নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন মো. হারুনুর রশিদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নে নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
বিএনপি মনোনীত এ প্রার্থীর দাবি, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কারচুপি ও জাল ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয় এবং কেন্দ্র দখল করে বিপুল পরিমাণ জাল ভোট প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, বড়গাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর আহমদিয়া ফাজিল মাদরাসা, পশ্চিম ভাওয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইকপাড়া বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শোশাইরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাচনমেঘ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব আলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চররামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার নেতাকর্মীরা প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা না থাকার অভিযোগ জানিয়েছেন।
হারুনুর রশিদ জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণের আশা করেছিলেন। ভোটগ্রহণ শুরুর পর কাউনিয়া শহীদ হাবিব উল্লাহ ভোটকেন্দ্রে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোট প্রদান করেন এবং বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। প্রথমদিকে নারী-পুরুষ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করলেও দুপুরের পর শোল্লা, ঘড়িয়ানা ও মুন্সীরহাটসহ কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ পান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নিরপেক্ষ তদন্ত দল গঠনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং ফল পুনর্গণনার মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফল প্রকাশের দাবি জানান।
অধিকাংশ কেন্দ্রে তিনি এগিয়ে থাকলেও কয়েকটি কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অস্বাভাবিক ভোট ব্যবধান কারচুপি ছাড়া সম্ভব নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার পর গত দুদিনে ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তার দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এক কর্মীর তিনটি দাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং আরেক কর্মীকে না পেয়ে তার শিশুসন্তানের ওপর হামলার ঘটনাও উল্লেখ করেন হারুনুর রশিদ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মহিষটি বুঝে নেন উত্তর নাকশীর শিমুলগড়া এলাকার বাসিন্দা ও বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর সমর্থক আব্দুল মান্নান।
৫ ঘণ্টা আগে
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ এলাকায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও বিএনপির এক ওয়ার্ড সভাপতিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের কচুয়ায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত ওসমান সরদার (২৯) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির বড় ভাই এনামুল কবির সরদার এই তথ্য নিশ্চি
৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার রাত সোয়া ১১টার দিকে স্বাধীন ও ফাহিম শহর থেকে বাসায় ফিরছিল। হঠাৎ তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিবেকানন্দ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকায় একটি দেয়ালে ধাক্কা লাগে। আশেপাশের লোকজন তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
১২ ঘণ্টা আগে