
বগুড়া প্রতিনিধি

ঢাকা থেকে ছেড়ে চিলাহাটির পথে ছেড়ে যাওয়া ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের লাইনচ্যুত বগিগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বগিগুলো উদ্ধার করতে আরও পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা লাগবে।
রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হিসাবে দুপুর নাগাদ বগিগুলো উদ্ধার করা যাবে। ফলে উত্তরাঞ্চলের আট জেলার সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতেও দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে নীলফামারীর চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয় বগুড়ার সান্তাহার এলাকায়। এ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার দুপুরে লাইনচ্যুত হলেও নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয় সন্ধ্যা ৭টায়, ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর।
সান্তাহার জংশন স্টেশনের মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে দুটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন পৌঁছানোর পর থেকে উদ্ধারকাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। (বৃহস্পতিবার) দুপুরের পরপরই লাইন সচল করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।
এদিকে দুর্ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আবুজার গাফফার জানান, প্রায় ৭০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ৩০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বুধবার রাতে রেলওয়ে জানায়, ঢাকা-পঞ্চগড়-ঢাকা রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ব্যবহার করে ট্রান্সশিপমেন্ট করা হবে। খুলনা-নীলফামারী রুটে সীমান্ত ও রূপসা এক্সপ্রেস দিয়ে একই ব্যবস্থা চালু থাকবে। এ ছাড়া পার্বতীপুর, রাজশাহী ও চিলাহাটি রুটেও কয়েকটি ট্রেনের মাধ্যমে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস বগুড়া হয়ে চলবে। বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের কয়েকটি ট্রিপ আংশিক পরিবর্তন ও কিছু যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

ঢাকা থেকে ছেড়ে চিলাহাটির পথে ছেড়ে যাওয়া ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের লাইনচ্যুত বগিগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বগিগুলো উদ্ধার করতে আরও পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা লাগবে।
রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হিসাবে দুপুর নাগাদ বগিগুলো উদ্ধার করা যাবে। ফলে উত্তরাঞ্চলের আট জেলার সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতেও দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে নীলফামারীর চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয় বগুড়ার সান্তাহার এলাকায়। এ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার দুপুরে লাইনচ্যুত হলেও নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয় সন্ধ্যা ৭টায়, ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর।
সান্তাহার জংশন স্টেশনের মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে দুটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন পৌঁছানোর পর থেকে উদ্ধারকাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। (বৃহস্পতিবার) দুপুরের পরপরই লাইন সচল করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।
এদিকে দুর্ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আবুজার গাফফার জানান, প্রায় ৭০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ৩০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বুধবার রাতে রেলওয়ে জানায়, ঢাকা-পঞ্চগড়-ঢাকা রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ব্যবহার করে ট্রান্সশিপমেন্ট করা হবে। খুলনা-নীলফামারী রুটে সীমান্ত ও রূপসা এক্সপ্রেস দিয়ে একই ব্যবস্থা চালু থাকবে। এ ছাড়া পার্বতীপুর, রাজশাহী ও চিলাহাটি রুটেও কয়েকটি ট্রেনের মাধ্যমে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস বগুড়া হয়ে চলবে। বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের কয়েকটি ট্রিপ আংশিক পরিবর্তন ও কিছু যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে