
ভোলা প্রতিনিধি

ভোলায় ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা শহরের নতুন বাজার জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিজেপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সদর মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলা স্কুল মোড়, কালীবাড়ির চত্বর হয়ে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের দিকে ফিরছিল। এ সময় হঠাৎ বিজেপি কার্যালয়ের কাছে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় মিছিলকারীদের একটি অংশ উত্তেজিত হয়ে বিজেপি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। সেসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি ফাঁকা গুলি করে এবং মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় কিছু লোক বিজেপি কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র ও টেলিভিশন ভাঙচুর করে এবং কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে চত্বরে বিক্ষোভ করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোতাছিম বিল্লা অভিযোগ করে বলেন, দুপুরে আমাদের অফিস বন্ধ ছিল। বিকেলে বিএনপির মিছিল চলাকালে একদল সন্ত্রাসী অফিসে হামলা চালিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ও টিভি ভাঙচুর করে। এমনকি অফিসে থাকা নির্বাচনি লিফলেট রাস্তায় ছুড়ে ফেলে ময়লা নিক্ষেপ করা হয়।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করেছি। বিজেপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, হাতবোমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং একদল লোক বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

ভোলায় ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা শহরের নতুন বাজার জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিজেপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সদর মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলা স্কুল মোড়, কালীবাড়ির চত্বর হয়ে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের দিকে ফিরছিল। এ সময় হঠাৎ বিজেপি কার্যালয়ের কাছে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় মিছিলকারীদের একটি অংশ উত্তেজিত হয়ে বিজেপি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। সেসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি ফাঁকা গুলি করে এবং মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় কিছু লোক বিজেপি কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র ও টেলিভিশন ভাঙচুর করে এবং কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে চত্বরে বিক্ষোভ করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোতাছিম বিল্লা অভিযোগ করে বলেন, দুপুরে আমাদের অফিস বন্ধ ছিল। বিকেলে বিএনপির মিছিল চলাকালে একদল সন্ত্রাসী অফিসে হামলা চালিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ও টিভি ভাঙচুর করে। এমনকি অফিসে থাকা নির্বাচনি লিফলেট রাস্তায় ছুড়ে ফেলে ময়লা নিক্ষেপ করা হয়।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করেছি। বিজেপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, হাতবোমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং একদল লোক বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কেউ কোনো প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে সে বিএনপির রাজনীতি করার যোগ্যতা হারাবে।
১০ ঘণ্টা আগে
দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও ট্রাকটি সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে