
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা শেষে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিসসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলার ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে এনসিপি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে অবরুদ্ধ করে রাখা হলে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন।
এনসিপি নেতাদের দাবি, সন্ধ্যায় শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। এতে সাংবাদিক ও এনসিপির নেতাকর্মীরা আহত হন। হামলার পর তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
অন্যদিকে ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুরে আজমিরীগঞ্জে শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এনসিপির নেতারা বিএনপির নেতাদের নাম উল্লেখ করে ‘গুণ্ডাবাহিনী’ বলে বক্তব্য দেন। এতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ দিন সন্ধ্যায় জেলা শহরের টাউন হলে পদযাত্রা শেষে এনসিপি নেতাদের ঘিরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী এনসিপির নেতাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম ও স্থানীয় এনসিপি নেতা মুবিনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের সোনালী ব্যাংকের একটি ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখা হলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে নিয়ে যায়।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, “এনসিপির পদযাত্রা শেষে ছাত্রদলের নেতারা বিক্ষোভ করেন। এতে উত্তেজনা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে এনসিপির নেতাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দেই।”

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা শেষে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিসসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলার ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে এনসিপি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে অবরুদ্ধ করে রাখা হলে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন।
এনসিপি নেতাদের দাবি, সন্ধ্যায় শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। এতে সাংবাদিক ও এনসিপির নেতাকর্মীরা আহত হন। হামলার পর তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
অন্যদিকে ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুরে আজমিরীগঞ্জে শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এনসিপির নেতারা বিএনপির নেতাদের নাম উল্লেখ করে ‘গুণ্ডাবাহিনী’ বলে বক্তব্য দেন। এতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ দিন সন্ধ্যায় জেলা শহরের টাউন হলে পদযাত্রা শেষে এনসিপি নেতাদের ঘিরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী এনসিপির নেতাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম ও স্থানীয় এনসিপি নেতা মুবিনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের সোনালী ব্যাংকের একটি ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখা হলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে নিয়ে যায়।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, “এনসিপির পদযাত্রা শেষে ছাত্রদলের নেতারা বিক্ষোভ করেন। এতে উত্তেজনা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে এনসিপির নেতাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দেই।”

চুক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিকেলে সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় আসেন ওই দুই নৃত্যশিল্পী। সেখান থেকে রাকিব ও তার সহযোগীরা তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহবাজপুরের একটি সেতুর নিচে নিয়ে যান। এরপর বিয়ের অনুষ্ঠানে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাদের ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ওঠানো হয়।
১ দিন আগে
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এগুলোর মধ্যে পুরান ঢাকার লালবাগে মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নামে এক আইনজীবীর অর্ধগলিত মরদেহ, শাহবাগে তিন অজ্ঞাত পুরুষের মরদেহ এবং আদাবরে এক নারীর মরদেহের খণ্ডিত অংশ রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া এলাকায় সড়কের পাশ থেকে বস্তাগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানান মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুজ্জামান।
১ দিন আগে
দুর্নীতির প্রশ্নে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
১ দিন আগে