রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের ভারতীয় অংশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহাগ চিমটিবিল এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের ভাষ্য, তিনি রাখালের কাজ করতেন।
ম্যুরাল অপসারণের বিষয়ে মাধবপুরের সাবেক ইউএনও জাহিদ বিন কাসেমের কাছে জানতে চাইলে বলেন, তিনি এটি অপসারণের বিষয়ে জানতেন না, মুক্তিযোদ্ধারা ভালো বলতে পারবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দায়িত্বকালে ম্যুরালটি অপসারণ করা হয়েছিল।
পরিবারের দাবি, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেও মুন্নি নির্যাতনের কথা বাবা-মাকে জানিয়েছিলেন। তাই হঠাৎ তার আত্মহত্যার বিষয়টি তাদের কাছে সন্দেহজনক। মরদেহ নামানোর পর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বলেও দাবি করেন তারা। এসব আঘাতের ছবি ও ভিডিও তাদের কাছে রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বাইচের আয়োজক কমিটির সঙ্গে থাকা বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান বলেন, অন্ধকার নেমে আসায় ফাইনালের ফলাফল এখনো মীমাংসা হয়নি। পরবর্তী সময়ে বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের মতবিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ জানিয়েছে, ছয় বাংলাদেশি বিভিন্ন সময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও জামালপুর জেলার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে আটক করে ভারতীয় পুলিশ। আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড়চর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মহাসড়কের কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে
হাওরের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, প্রতিবেশগত ভারসাম্য ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। পাশাপাশি হাওরে চলাচলকারী সব নৌ যানের মালিক ও পরিচালনাকারীদের আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে গাড়িটির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। একই সঙ্গে এনসিপির আরও দুই কেন্দ্রীয় নেতা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাত শহিদ পরিবারের সদস্যদের বহনকারী গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন সারজিস আলম। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা ছাত্রদল।
হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই জানিয়ে এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জিএম সরফরাজের সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে রাতে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তাই সতর্কতা হিসেবে বিজিবি চাওয়া হয়েছে।