
রাজশাহী ব্যুরো

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজশাহী জেলার সংসদীয় ছয়টি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হচ্ছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে এ প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সকল প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ সময় সহকারী রিটার্নিং ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট ৩৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। প্রাথমিক যাচাইয়ে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে ১৩ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। এতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২ জনে। পরবর্তীতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় বর্তমানে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন ২৯ জন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা তিনজন হলেন—রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-২ (সদর) আসনের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মো. ওয়াহেদুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। তারা হলেন—বিএনপির মো. শরীফ উদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের মো. শাহজাহান এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির আবদুর রহমান।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ছয়জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে আছেন। তারা হলেন—বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, আমার বাংলাদেশ পার্টির সাঈদ নোমান, নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমেদ।
রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির মো. আফজাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান এবং আমজনতার দলের সাইদ পারভেজ।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে চারজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন—বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান, জামায়াতের আবদুল বারী সরদার, জাতীয় পার্টির ফজলুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় আছেন। তারা হলেন—বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জামায়াতের মনজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা এবং বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক ও রেজাউল করিম।
রাজশাহী-৬ (চারঘাট–বাঘা) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির আবু সাইদ চাঁদ, জামায়াতের নাজমুল হক, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুস সালাম সুরুজ।
এর আগে, প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রমের শুরুতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের নির্বাচন আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো, সভা-সমাবেশ ও মিছিল সংক্রান্ত বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
প্রতীক বরাদ্দে রাজশাহীর ছয়টি আসনে ২৬ জন দলীয় প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলীয় প্রতীক পান। পাশাপাশি দুটি আসনের তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ লাভ করেন। এর মধ্যে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র তরুণ প্রার্থী সালেহ আহমেদ মোটরসাইকেল প্রতীক পান। রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক ঘোড়া প্রতীক এবং যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের বর্তমান সহ-সভাপতি ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিম ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ পান।
এদিকে প্রতীক বরাদ্দ চলাকালে রাজশাহী-৪ (বাগমারা), রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জেলা এনসিপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম সাজু এ প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন।
প্রতিবাদ শেষে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় তিনি জাতীয় পার্টিকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজশাহী জেলার সংসদীয় ছয়টি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হচ্ছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে এ প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সকল প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ সময় সহকারী রিটার্নিং ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট ৩৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। প্রাথমিক যাচাইয়ে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে ১৩ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। এতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২ জনে। পরবর্তীতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় বর্তমানে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন ২৯ জন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা তিনজন হলেন—রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-২ (সদর) আসনের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মো. ওয়াহেদুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। তারা হলেন—বিএনপির মো. শরীফ উদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের মো. শাহজাহান এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির আবদুর রহমান।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ছয়জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে আছেন। তারা হলেন—বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, আমার বাংলাদেশ পার্টির সাঈদ নোমান, নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমেদ।
রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির মো. আফজাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান এবং আমজনতার দলের সাইদ পারভেজ।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে চারজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন—বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান, জামায়াতের আবদুল বারী সরদার, জাতীয় পার্টির ফজলুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় আছেন। তারা হলেন—বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জামায়াতের মনজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা এবং বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক ও রেজাউল করিম।
রাজশাহী-৬ (চারঘাট–বাঘা) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির আবু সাইদ চাঁদ, জামায়াতের নাজমুল হক, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুস সালাম সুরুজ।
এর আগে, প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রমের শুরুতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের নির্বাচন আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো, সভা-সমাবেশ ও মিছিল সংক্রান্ত বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
প্রতীক বরাদ্দে রাজশাহীর ছয়টি আসনে ২৬ জন দলীয় প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলীয় প্রতীক পান। পাশাপাশি দুটি আসনের তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ লাভ করেন। এর মধ্যে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র তরুণ প্রার্থী সালেহ আহমেদ মোটরসাইকেল প্রতীক পান। রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক ঘোড়া প্রতীক এবং যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের বর্তমান সহ-সভাপতি ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিম ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ পান।
এদিকে প্রতীক বরাদ্দ চলাকালে রাজশাহী-৪ (বাগমারা), রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জেলা এনসিপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম সাজু এ প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন।
প্রতিবাদ শেষে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় তিনি জাতীয় পার্টিকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।

টাউন হল মিটিংয়ে উপস্থিত তরুণ-তরুণীরা জানান, তাদের বড় অংশই শিক্ষার্থী, কেউ কেউ চাকরিজীবী। কেউ কেউ পড়ালেখা শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছেন। মিটিংয়ে অংশ নিয়ে তারা ঈশ্বরগঞ্জ নিয়ে নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরেন।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়রা জানান, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র তৈরি করে মজুত করেছেন বলে তথ্য ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, ঈদের নামাজের পর তারা হামলা করবে। সে চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর রোববার রাত থেকেই নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল তারা। পরে সকালে লাউ কুড়ার মাঠে নজির গ্রুপের ওপর তারা হামলা চাল
১ দিন আগে
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
ঈদের ছুটির সুযোগ নিয়ে বাগেরহাট মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (ম্যাটস) আবাসিক ছাত্রী নিবাসে গণচুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল নিচতলার গ্রিল কেটে ভবনে প্রবেশ করে কমপক্ষে ১৫টি রুমের তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
২ দিন আগে