
কক্সবাজার প্রতিনিধি

‘আয়নাবাজি’র শিকার নিরপরাধ দিনমজুর মুহাম্মদ ইয়াসিন প্রকাশ ওরফে সোনা মিয়া অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন। এক অপরাধীর ইয়াবা মামলায় ভুল বা বদলি আসামি হিসেবে সাজা খাটছিলেন তিনি। ওই মামলায় এমনকি প্রকৃত অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড সাজাও দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান চকরিয়ার দিনমজুর সোনা মিয়া। এ সময় তার স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। সোনা মিয়ার মুক্তিতে তারা স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেন।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার চার শর্তে সোনা মিয়াকে মুক্তির আদেশ দেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম। একই সঙ্গে তার পরিচয় ব্যবহার করা প্রকৃত আসামি রমজানকে দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশও দেন তিনি।
সোনা মিয়ার পক্ষে আদালতে দাঁড়ানো জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান জানান, আদালত চার শর্তে সোনা মিয়ার জামিন দিয়েছেন। শর্তগুলো হলো— সোনা মিয়ার পরিচয়সংক্রান্ত আইডি কার্ড জমা দিতে হবে, প্রতি সপ্তাহে থানায় হাজিরা দিতে হবে, কোনোভাবেই দেশত্যাগ করা যাবে না এবং প্রতি তিন মাস পরপর আদালতে হাজির হতে হবে।
সোনা মিয়া যে মামলায় কারাবন্দি ছিলেন সেই মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২ নম্বর আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ‘সোনা মিয়া’র নাম। পরে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়া আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, ২ নম্বর আসামির প্রকৃত নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আদালতের নথি বলছে, ২০২২ সালের ১৩ জুন ‘সোনা মিয়া’ নামে একজন কক্সবাজার জেলা জজ আদালত থেকে জামিন পান এবং পরে আত্মগোপনে চলে যান। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালত ওই মামলায় সোনা মিয়াসহ পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেন। চার মাস পর গত ২৩ জুন র্যাব-১৫-এর একটি দল ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে মুহাম্মদ ইয়াসিন ওরফে সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠায়।
কারাগারে যাওয়ার দুই-তিন দিনের মধ্যে সোনা মিয়া জেল সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করে দাবি করেন, তিনি এ মামলার আসামি নন। নামের ভুলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেল সুপার বিষয়টি জেলা জজ আদালতের নজরে আনলে আদালত তদন্তের নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ তদন্ত করে গত ২ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া সোনা মিয়া ও সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ডের ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার হওয়া সোনা মিয়া একই ব্যক্তি নন। তদন্তে আরও উঠে আসে, প্রথমে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত নাম ছিল রমজান।
এ তদন্ত প্রতিবেদেনের ভিত্তিতেই কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সোনা মিয়াকে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেন।

‘আয়নাবাজি’র শিকার নিরপরাধ দিনমজুর মুহাম্মদ ইয়াসিন প্রকাশ ওরফে সোনা মিয়া অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন। এক অপরাধীর ইয়াবা মামলায় ভুল বা বদলি আসামি হিসেবে সাজা খাটছিলেন তিনি। ওই মামলায় এমনকি প্রকৃত অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড সাজাও দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান চকরিয়ার দিনমজুর সোনা মিয়া। এ সময় তার স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। সোনা মিয়ার মুক্তিতে তারা স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেন।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার চার শর্তে সোনা মিয়াকে মুক্তির আদেশ দেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম। একই সঙ্গে তার পরিচয় ব্যবহার করা প্রকৃত আসামি রমজানকে দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশও দেন তিনি।
সোনা মিয়ার পক্ষে আদালতে দাঁড়ানো জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান জানান, আদালত চার শর্তে সোনা মিয়ার জামিন দিয়েছেন। শর্তগুলো হলো— সোনা মিয়ার পরিচয়সংক্রান্ত আইডি কার্ড জমা দিতে হবে, প্রতি সপ্তাহে থানায় হাজিরা দিতে হবে, কোনোভাবেই দেশত্যাগ করা যাবে না এবং প্রতি তিন মাস পরপর আদালতে হাজির হতে হবে।
সোনা মিয়া যে মামলায় কারাবন্দি ছিলেন সেই মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২ নম্বর আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ‘সোনা মিয়া’র নাম। পরে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়া আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, ২ নম্বর আসামির প্রকৃত নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আদালতের নথি বলছে, ২০২২ সালের ১৩ জুন ‘সোনা মিয়া’ নামে একজন কক্সবাজার জেলা জজ আদালত থেকে জামিন পান এবং পরে আত্মগোপনে চলে যান। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালত ওই মামলায় সোনা মিয়াসহ পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেন। চার মাস পর গত ২৩ জুন র্যাব-১৫-এর একটি দল ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে মুহাম্মদ ইয়াসিন ওরফে সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠায়।
কারাগারে যাওয়ার দুই-তিন দিনের মধ্যে সোনা মিয়া জেল সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করে দাবি করেন, তিনি এ মামলার আসামি নন। নামের ভুলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেল সুপার বিষয়টি জেলা জজ আদালতের নজরে আনলে আদালত তদন্তের নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ তদন্ত করে গত ২ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া সোনা মিয়া ও সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ডের ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার হওয়া সোনা মিয়া একই ব্যক্তি নন। তদন্তে আরও উঠে আসে, প্রথমে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত নাম ছিল রমজান।
এ তদন্ত প্রতিবেদেনের ভিত্তিতেই কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সোনা মিয়াকে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেন।

নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
৫ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই-রাঙ্গামাটি-আসামবস্তি সড়কের আগরবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে নগরের ষোলশহর এলাকায় কয়েক শ চালক সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন। এতে মুরাদপুর থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে তৈরি হয় তীব্র যানজট।
১০ ঘণ্টা আগে