
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ছুটির দিন শুক্রবারের সকালে তিন জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মা-মেয়েসহ প্রাণ হারিয়েছেন সিএনজি অটোরিকশার চালক। রংপুরে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন পিকআপ ভ্যানে থাকা মা-ছেলেসহ তিনজন। আর বগুড়ায় আরেক বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালের বিভিন্ন সময়ে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত সাতজন। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলোতে স্বজন হারানো পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলাবাজার এলাকার বাঘেরকোনায় সুনামগঞ্জগামী একটি সিএনজি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ। এতে মা-মেয়ে ও অটোরিকশা চালক প্রাণ হারান।
নিহতরা হলেন— সুনামগঞ্জ পৌর শহরের উকিলপাড়ার বাসিন্দা আবাদিত কেশবা প্রিয়া (৪০) ও তার মেয়ে সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রথমা চৌধুরী এবং অটোরিকশাচালক সজল ঘোষ। প্রিয়া ও তার পরিবার হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নবীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সুনামগঞ্জগামী সিএনজি একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রিয়া ও চালক মারা যান। গুরুতর আহত প্রথমাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ বলেন, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপের চালককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে রংপুর নগরীর দমদমা এলাকায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে ঢাকাগামী বালুবোঝাই একটি ট্রাক স্থানীয় একটি পিকআপ ভ্যানকে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনজন।
নিহতরা হলেন— পীরগাছার সাতদরগা এলাকার মোতালেব হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম (২৮) ও তার এক বছরের শিশু ছেলে ওয়ালিদ হোসেন স্বাধীন এবং রংপুর নগরীর মীরগঞ্জ এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে ও পিকআপ ভ্যানচালকের সহকারী আরিফ হোসেন (২০)।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তাজহাট থানার ওসি শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন পিকআপচালক নিশাত মিয়া। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শাহিনা বেগমের দেবর ও তার স্ত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি কাঁঠালতলায় আরেক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাবা-ছেলেসহ তিনজন। বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী ট্রাক একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কুঠিবাড়ি গ্রামের বিপুল চন্দ্র দাস (৩৮) ও তার ছেলে বিপ্লব চন্দ্র দাস (৫) এবং অটোরিকশাচালক শুকুর আলী (৪০)। বিপুল তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় বিপুলের স্ত্রী মমতা রানী ও মেয়ে রূপা মনি দাস গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্গাপূজার ছুটিতে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসা বিপুল পরিবার নিয়ে অটোরিকশায় নারচী গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী ট্রাক ধাক্কা দিলে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলেই চালক শুকুর আলী মারা যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিপুল ও তার ছোট ছেলে বিপ্লবের মৃত্যু হয়।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি জামিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন রাজনীতি ডটকমের সুনামগঞ্জ, রংপুর ও বগুড়া প্রতিনিধি]

ছুটির দিন শুক্রবারের সকালে তিন জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মা-মেয়েসহ প্রাণ হারিয়েছেন সিএনজি অটোরিকশার চালক। রংপুরে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন পিকআপ ভ্যানে থাকা মা-ছেলেসহ তিনজন। আর বগুড়ায় আরেক বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালের বিভিন্ন সময়ে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত সাতজন। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলোতে স্বজন হারানো পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলাবাজার এলাকার বাঘেরকোনায় সুনামগঞ্জগামী একটি সিএনজি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ। এতে মা-মেয়ে ও অটোরিকশা চালক প্রাণ হারান।
নিহতরা হলেন— সুনামগঞ্জ পৌর শহরের উকিলপাড়ার বাসিন্দা আবাদিত কেশবা প্রিয়া (৪০) ও তার মেয়ে সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রথমা চৌধুরী এবং অটোরিকশাচালক সজল ঘোষ। প্রিয়া ও তার পরিবার হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নবীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সুনামগঞ্জগামী সিএনজি একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রিয়া ও চালক মারা যান। গুরুতর আহত প্রথমাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ বলেন, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপের চালককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে রংপুর নগরীর দমদমা এলাকায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে ঢাকাগামী বালুবোঝাই একটি ট্রাক স্থানীয় একটি পিকআপ ভ্যানকে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনজন।
নিহতরা হলেন— পীরগাছার সাতদরগা এলাকার মোতালেব হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম (২৮) ও তার এক বছরের শিশু ছেলে ওয়ালিদ হোসেন স্বাধীন এবং রংপুর নগরীর মীরগঞ্জ এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে ও পিকআপ ভ্যানচালকের সহকারী আরিফ হোসেন (২০)।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তাজহাট থানার ওসি শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন পিকআপচালক নিশাত মিয়া। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শাহিনা বেগমের দেবর ও তার স্ত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি কাঁঠালতলায় আরেক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাবা-ছেলেসহ তিনজন। বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী ট্রাক একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কুঠিবাড়ি গ্রামের বিপুল চন্দ্র দাস (৩৮) ও তার ছেলে বিপ্লব চন্দ্র দাস (৫) এবং অটোরিকশাচালক শুকুর আলী (৪০)। বিপুল তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় বিপুলের স্ত্রী মমতা রানী ও মেয়ে রূপা মনি দাস গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্গাপূজার ছুটিতে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসা বিপুল পরিবার নিয়ে অটোরিকশায় নারচী গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী ট্রাক ধাক্কা দিলে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলেই চালক শুকুর আলী মারা যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিপুল ও তার ছোট ছেলে বিপ্লবের মৃত্যু হয়।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি জামিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন রাজনীতি ডটকমের সুনামগঞ্জ, রংপুর ও বগুড়া প্রতিনিধি]

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে