
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) মনোনীত প্রার্থী মো. সাঈদ নোমানের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় বিষয়টি ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ হিসেবে গণ্য করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার (সামারি ট্রায়াল) করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির একটি সূত্র জানায়, গত ২৬ জানুয়ারি রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া থানার চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা মো. রোকন উদ্দিন একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, এবি পার্টির প্রার্থী মো. সাঈদ নোমান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করেছেন।
এই অভিযোগকে ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ হিসেবে গণ্য করে কমিটি তা নথিভুক্ত করে। পরে ১ ফেব্রুয়ারি অভিযোগকারীকে ডেকে জবানবন্দি নেয়া হয় এবং তিনি প্রমাণ হিসেবে একটি পেনড্রাইভে ভিডিও ফুটেজও জমা দেন। পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে কমিটি মত প্রকাশ করে।
কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, অভিযুক্ত প্রার্থীর কর্মকাণ্ড সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ঘটনায় মো. সাঈদ নোমানের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে তিনি আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রাজশাহীর সিনিয়র সিভিল জজ আদালত-১ (সদর)-এ সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
এ বিষয়ে মো. সাঈদ নোমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দল আমার নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ কারণে তারা একের পর এক অভিযোগ দিচ্ছে। আমি যথাসময়ে আদালতে গিয়ে আমার পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা প্রদান করবো।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) মনোনীত প্রার্থী মো. সাঈদ নোমানের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় বিষয়টি ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ হিসেবে গণ্য করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার (সামারি ট্রায়াল) করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির একটি সূত্র জানায়, গত ২৬ জানুয়ারি রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া থানার চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা মো. রোকন উদ্দিন একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, এবি পার্টির প্রার্থী মো. সাঈদ নোমান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করেছেন।
এই অভিযোগকে ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ হিসেবে গণ্য করে কমিটি তা নথিভুক্ত করে। পরে ১ ফেব্রুয়ারি অভিযোগকারীকে ডেকে জবানবন্দি নেয়া হয় এবং তিনি প্রমাণ হিসেবে একটি পেনড্রাইভে ভিডিও ফুটেজও জমা দেন। পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে কমিটি মত প্রকাশ করে।
কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, অভিযুক্ত প্রার্থীর কর্মকাণ্ড সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ঘটনায় মো. সাঈদ নোমানের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে তিনি আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রাজশাহীর সিনিয়র সিভিল জজ আদালত-১ (সদর)-এ সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
এ বিষয়ে মো. সাঈদ নোমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দল আমার নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ কারণে তারা একের পর এক অভিযোগ দিচ্ছে। আমি যথাসময়ে আদালতে গিয়ে আমার পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা প্রদান করবো।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে