
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলমগীর মন্ডল (৪৪) নামের এক ভ্যানচালককে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর মন্ডল ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং আশরাফ মন্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মজিবুর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তি চার্জার ভ্যানে করে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে আলমগীরকে অনুরোধ করেন। তবে আলমগীর এতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবুর রহমান ইট দিয়ে আলমগীরের মাথায় আঘাত করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মজিবুর রহমানকে একটি ক্লাবে আটক করে রাখে। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিতে গেলে উত্তেজিত জনতা গণপিটুনির চেষ্টা চালায়। তবে মোহনপুর থানা পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে তাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার, মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান এবং র্যাব-৫-এর সদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলমগীর মন্ডল (৪৪) নামের এক ভ্যানচালককে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর মন্ডল ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং আশরাফ মন্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মজিবুর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তি চার্জার ভ্যানে করে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে আলমগীরকে অনুরোধ করেন। তবে আলমগীর এতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবুর রহমান ইট দিয়ে আলমগীরের মাথায় আঘাত করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মজিবুর রহমানকে একটি ক্লাবে আটক করে রাখে। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিতে গেলে উত্তেজিত জনতা গণপিটুনির চেষ্টা চালায়। তবে মোহনপুর থানা পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে তাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার, মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান এবং র্যাব-৫-এর সদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১ দিন আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে