
রাজশাহী ব্যুরো

ঘন কুয়াশার মধ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও স্থানীয়ভাবে নির্মিত ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যানবাহন ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাঘা-লালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের চণ্ডিপুর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সিএনজি অটোরিকশাটি পাঁচ যাত্রী নিয়ে লালপুর থেকে বাঘার যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা ভটভটির সঙ্গে এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হন সিএনজি অটোরিকশার চালক শরিফ হোসেন (৪২) ও যাত্রী বিধান মিস্ত্রি (৪৫)। আহতদের বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। রোকেয়া বেগম (৯০), তার ছেলে শাহজাহান আলী (৩৫) ও সীমা বেগমের (৫০) অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে রোকেয়া বেগমের মৃত্যু হয়।
নিহত রোকেয়া বেগমের বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার আন্দি সালামপুর এলাকায়, সিএনজিচালক শরিফ হোসেনের বাড়ি লালপুর উপজেলার ফতেপুর এলাকায় এবং নিহত বিধান মিস্ত্রির বাড়ি বাঘা উপজেলার বুধপাড়া গ্রামে।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, কালে প্রচুর কুয়াশা পড়ছিল। কুয়াশার কারণে একটু সামনেরও কিছু দেখা যাচ্ছিল না। ওই সময়ই সিএনজি আর ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘন কুয়াশার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
আলমগীর হোসেন আরও বলেন, দুর্ঘটনাস্থলেই দুইজন তখনই মারা গেছেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা গেছেন। সিএনজি ও ভটভটি দুর্ঘটনাস্থলে পড়ে আছে। ভটভটির চালক পালিয়ে গেছে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, লালপুর থেকে পাঁচজন একটি সিএনজিতে করে বাঘার দিকে আসছিলেন। সিএনজির ড্রাইভারসহ তিনজন নিহত হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানার আনা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ভটভটি জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।

ঘন কুয়াশার মধ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও স্থানীয়ভাবে নির্মিত ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যানবাহন ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাঘা-লালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের চণ্ডিপুর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সিএনজি অটোরিকশাটি পাঁচ যাত্রী নিয়ে লালপুর থেকে বাঘার যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা ভটভটির সঙ্গে এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হন সিএনজি অটোরিকশার চালক শরিফ হোসেন (৪২) ও যাত্রী বিধান মিস্ত্রি (৪৫)। আহতদের বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। রোকেয়া বেগম (৯০), তার ছেলে শাহজাহান আলী (৩৫) ও সীমা বেগমের (৫০) অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে রোকেয়া বেগমের মৃত্যু হয়।
নিহত রোকেয়া বেগমের বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার আন্দি সালামপুর এলাকায়, সিএনজিচালক শরিফ হোসেনের বাড়ি লালপুর উপজেলার ফতেপুর এলাকায় এবং নিহত বিধান মিস্ত্রির বাড়ি বাঘা উপজেলার বুধপাড়া গ্রামে।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, কালে প্রচুর কুয়াশা পড়ছিল। কুয়াশার কারণে একটু সামনেরও কিছু দেখা যাচ্ছিল না। ওই সময়ই সিএনজি আর ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘন কুয়াশার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
আলমগীর হোসেন আরও বলেন, দুর্ঘটনাস্থলেই দুইজন তখনই মারা গেছেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা গেছেন। সিএনজি ও ভটভটি দুর্ঘটনাস্থলে পড়ে আছে। ভটভটির চালক পালিয়ে গেছে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, লালপুর থেকে পাঁচজন একটি সিএনজিতে করে বাঘার দিকে আসছিলেন। সিএনজির ড্রাইভারসহ তিনজন নিহত হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানার আনা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ভটভটি জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে