
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে বিষের বোতল হাতে নিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন এক নারী শিক্ষার্থী।
শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের চুনিয়াপাড়া গ্রামে প্রেমিক ফয়সালের বাড়িতে অবস্থান নেন তিনি।
জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী চারঘাট উপজেলার বাসিন্দা এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। প্রায় সাত বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফয়সালের সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ফয়সাল তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান এবং শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। পরে বিয়ের কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিলেও বর্তমানে পরিবারের চাপে তিনি সম্পর্ক অস্বীকার করছেন। এমনকি ফয়সাল অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করা হলেও সেটি সঠিক নয় বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, 'ফয়সালের সঙ্গে আমার বিয়ে না হলে আমি এখানেই বিষপান করে আত্মহত্যা করব। আমার সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।'
পলাতক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে ফয়সালের বক্তব্য জানা যায়নি।
তবে ফয়সালের পরিবারের দাবি, একসময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে তা নেই। তাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ওই শিক্ষার্থী বিষের বোতল হাতে নিয়ে বাড়িতে এসে ফয়সালকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন।
ফয়সালের বড় বোন বলেন, তাদের মধ্যে সম্পর্ক থাকলে আমরা মেনে নিতাম। কিন্তু তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। এরই মধ্যে আমার ভাই অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করেছে। এখন এই মেয়েকে মেনে নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা বলছেন, কোনো কারণ ছাড়া একটি মেয়ে এমন পরিস্থিতিতে কারও বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয় না। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চনন্দ সরকার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে বিষের বোতল হাতে নিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন এক নারী শিক্ষার্থী।
শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের চুনিয়াপাড়া গ্রামে প্রেমিক ফয়সালের বাড়িতে অবস্থান নেন তিনি।
জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী চারঘাট উপজেলার বাসিন্দা এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। প্রায় সাত বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফয়সালের সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ফয়সাল তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান এবং শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। পরে বিয়ের কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিলেও বর্তমানে পরিবারের চাপে তিনি সম্পর্ক অস্বীকার করছেন। এমনকি ফয়সাল অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করা হলেও সেটি সঠিক নয় বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, 'ফয়সালের সঙ্গে আমার বিয়ে না হলে আমি এখানেই বিষপান করে আত্মহত্যা করব। আমার সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।'
পলাতক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে ফয়সালের বক্তব্য জানা যায়নি।
তবে ফয়সালের পরিবারের দাবি, একসময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে তা নেই। তাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ওই শিক্ষার্থী বিষের বোতল হাতে নিয়ে বাড়িতে এসে ফয়সালকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন।
ফয়সালের বড় বোন বলেন, তাদের মধ্যে সম্পর্ক থাকলে আমরা মেনে নিতাম। কিন্তু তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। এরই মধ্যে আমার ভাই অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করেছে। এখন এই মেয়েকে মেনে নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা বলছেন, কোনো কারণ ছাড়া একটি মেয়ে এমন পরিস্থিতিতে কারও বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয় না। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চনন্দ সরকার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে